© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

আওয়ামী লীগের ভোটাররা নির্বাচনে ডিসাইডিং ফ্যাক্টর হবে: মাসুদ কামাল

শেয়ার করুন:
আওয়ামী লীগের ভোটাররা নির্বাচনে ডিসাইডিং ফ্যাক্টর হবে: মাসুদ কামাল

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০১:২০ এএম | ২৯ জুন, ২০২৫
সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক মাসুদ কামাল বলেছেন, জাতীয় নির্বাচনে ডিসাইডিং ফ্যাক্টর হবে আওয়ামী লীগের ভোটাররা। ডিসাইডিং ফ্যাক্টর মানে তারা (নির্বাচনে অংশ নেওয়া রাজনৈতিক দলগুলো) চেষ্টা করবে যে আওয়ামী লীগের ভোটারদেরকে কত বেশি ভোট কেন্দ্রে আনা যায়। কিন্তু আমার বিবেচনায়, রাজনীতির প্রতি বিভিন্ন পলিটিক্যাল পার্টির কর্মী-সমর্থকদের যে আমি আন্তরিকতা এবং ইনভলভমেন্ট দেখেছি এর আগেও, সেক্ষেত্রে আওয়ামী লীগের ভোটার যদি সিদ্ধান্ত নেয় যে তারা ভোট কেন্দ্রে যাবে না, তাহলে আগামী নির্বাচন একটা ডিজাস্টার হয়ে যাবে এই সরকারের জন্য। ড. ইউনূস মাঝে মাঝে বলেন, ইতিহাসে সর্বশ্রেষ্ঠ নির্বাচন উনি উপহার দেবেন।

আমার মনে হয়, তখন উনার মনে হবে- ইতিহাসও বুঝি না, সর্বশ্রেষ্ঠ নির্বাচনও বুঝি না।

শনিবার (২৮ জুন) ‘কথা’ নামের নিজের ইউটিউব চ্যানেলে তিনি এসব কথা বলেন।

মাসুদ কামাল বলেন, আওয়ামী লীগের ভোটটা কোথায় যাবে? যখন আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করা হয়, আজ থেকে এক মাস আগে সে সময় আমি একটি জরিপ করেছিলাম। সেই জরিপে আমার প্রশ্ন ছিল- সরকার আওয়ামী লীগের কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করেছে।

এখন এটা নিশ্চিত- আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগ অংশ নিতে পারবে না। সেক্ষেত্রে আওয়ামী লীগের ভোট কোন দিকে যাবে?

এ প্রশ্নের ফলাফলের উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমার ‘কথা’ চ্যানেলে ৭৮ হাজার দর্শক এই জরিপ অংশ নিয়েছিলেন। এর মধ্যে ৫ শতাংশ লোক বলেছে যে আওয়ামী লীগের ভোটটা যাবে এনসিপির দিকে। ১৯ শতাংশ বলেছেন, আওয়ামী লীগের ভোট যাবে বিএনপির দিকে।

৬ শতাংশ বলেছেন, আওয়ামী লীগের ভোট যাবে জামায়াতের দিকে। জামায়াতের বাক্সে। আর ৭০% ভোটার আওয়ামী লীগের। যারা আওয়ামী লীগের ভোটার অথবা সাধারণ মানুষ, যারা এই ৭৮ হাজারে ভোট দিয়েছেন, তাদের ৭০ শতাংশ লোক বলেছেন যে আওয়ামী লীগের ভোটাররা ভোট কেন্দ্রেই যাবে না।

তিনি আরো বলেন, জরিপের ফলাফল অনুযায়ী মোট দর্শকের মধ্যে ৩০ শতাংশ লোক মনে করছে যে তারা ভোট কেন্দ্রে যাবে।

৩০ শতাংশ ভোট নিয়ে কিন্তু টানাটানি শুরু হয়ে গেছে। ওখান থেকেও জামায়াত কিছু পেতে চায়। তো সেটা দিয়ে কি আর ওই গ্যাপ পূরণ করা যাবে? আমি ঠিক জানি না। তবে আমি এটুকু জানি, আগামী দিনগুলোতে এই হিসাবটা আরো শার্প হবে। আরো তীব্র হবে। জামায়াত আরো অনেক লোককে তার পাশে বসিয়ে বলার চেষ্টা করবে, ভাই, কিছু হলেও আমাদেরকে দেন। ৩০ না দেন, ৫০ না দেন, ৪৫ দেন, ৪০ দেন- বলার চেষ্টা করবে।

বিএনপিও চেষ্টা করবে। মানে বিএনপির ভোটার তো ভোট দেবেই বিএনপিকে। জামায়াতের ভোটারদের তো আর কোনো যাওয়ার জায়গা নেই। তারা জামাতকেই ভোট দেবে। এনসিপির যা আছে, এটা আমার মনে হয়, আরো কমবে।

আরআর

মন্তব্য করুন