© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

অনিয়মের মাধ্যমে ১৫ গাড়িচালককে প্লট বরাদ্দ, দুদকের তদন্তে চাঞ্চল্য

শেয়ার করুন:
অনিয়মের মাধ্যমে ১৫ গাড়িচালককে প্লট বরাদ্দ, দুদকের তদন্তে চাঞ্চল্য

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৮:৫৮ পিএম | ২৪ জুলাই, ২০২৫
রাজধানীর কেরানীগঞ্জে রাজউকের ঝিলমিল আবাসিক প্রকল্পে ‘বিশেষ বিবেচনায়’ প্লট বরাদ্দের তালিকায় উঠে এসেছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কার্যালয়ের ১৫ জন গাড়িচালকের নাম।

তাদের নামে তিন ও পাঁচ কাঠার প্লট বরাদ্দ দিতে রাজউককে চিঠি দিয়েছিল গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। যদিও বিশেষ বিবেচনায় প্লট বরাদ্দ দিতে রাষ্ট্রীয় ক্ষেত্রে ‘অসামান্য অবদানের’ জন্য চার শ্রেণির মানুষকে নির্বাচন করার কথা ছিল।

গতকাল বুধবার রাজউকে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রধান কার্যালয় থেকে পরিচালিত একটি এনফোর্সমেন্ট অভিযানে এ তথ্য উঠে আসে।

আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান সংস্থাটির মহাপরিচালক আক্তার হোসেন।

তিনি বলেন, ২০২৪ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় রাজউকের চেয়ারম্যান বরাবর পাঠানো একটি চিঠিতে শেখ হাসিনার কার্যালয়ে কর্মরত ১৫ গাড়িচালকের নাম উল্লেখ করে তাঁদের মাঝে তিন ও পাঁচ কাঠার প্লট বরাদ্দের ‘অনুমতি’ দেওয়া হয়।

দুদক সূত্র জানায়, চিঠিটি স্বাক্ষর করেছিলেন মন্ত্রণালয়ের তৎকালীন যুগ্ম সচিব মো. মিজানুর রহমান। তাতে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে কর্মরত ১৫ জন গাড়িচালক কর্তৃক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে রাজউকের আওতাধীন ঝিলমিল আবাসিক প্রকল্পে প্রতি দুজন আবেদনকারীর অনুকূলে একটি করে ৩ কাঠার প্লট এবং তিনজন আবেদনকারীর অনুকূলে একটি ৫ কাঠার প্লট বরাদ্দ দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়।

তালিকাভুক্ত চালকদের মধ্যে আছেন ভিভিআইপি ও ভিআইপিদের গাড়িচালক, বিভিন্ন সচিব, প্রটোকল অফিসার ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারীদের চালকেরা।

দুদকের অভিযানে রাজউকের পূর্বাচলে প্লট বরাদ্দসংক্রান্ত নথিপত্র পর্যালোচনা করে জানা যায়, ২০০৯ সালের নীতিমালার আলোকে সেখানে ৯৩৪টি প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়। তবে প্রাথমিক পর্যালোচনায় দেখা গেছে, নীতিমালার ১৩/এ ধারা যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়নি। বরাদ্দে একাধিক অনিয়মের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে।

এফপি/টিএ

মন্তব্য করুন