© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

৪ দিন বন্ধ থাকার পর সেন্টমার্টিনে ট্রলার চলাচল স্বাভাবিক

শেয়ার করুন:
৪ দিন বন্ধ থাকার পর সেন্টমার্টিনে ট্রলার চলাচল স্বাভাবিক

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৩:৩৮ পিএম | ২৮ জুলাই, ২০২৫

<div style="text-align: justify;"><span style="">চারদিন বন্ধ থাকার পর সোমবার (২৮ জুলাই) থেকে টেকনাফ-সেন্টম

চারদিন বন্ধ থাকার পর সোমবার (২৮ জুলাই) থেকে টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌরুটে ট্রলার চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।

বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জরুরি খাদ্যপণ্য ও ৭৭ বাসিন্দাকে নিয়ে টেকনাফ পৌরসভার কায়ুকখালীয়া ঘাট থেকে সেন্টমার্টিনের উদ্দেশ্যে দুটি সার্ভিস ট্রলার রওনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌরুটে চলাচলকারী সার্ভিস ট্রলার মালিক সমিতি সভাপতি রশিদ আহমেদ।

সভাপতি রশিদ আহমেদ বলেন, ‘নিম্নচাপ ও অমাবস্যার প্রভাবে সাগর উত্তাল থাকায় কক্সবাজারের টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌরুটে সবধরনের নৌযান চলাচল টানা চারদিন (বৃহস্পতিবার-রোববার) পর্যন্ত বন্ধ ছিল। এরমধ্যে রোববার সকালে সর্তক সংকেত প্রত্যাহার করে আবহাওয়া অধিদফতর। কিন্তু সাগর উত্তাল থাকায় রোববার সারাদিন কোনো ট্রলার চলাচল করেনি। ফলে সোমবার দুপুরের দিকে যাত্রী ও খাদ্যপণ্য সামগ্রী নিয়ে দুটি ট্রলার টেকনাফ পৌরসভার কায়ুকখালীয়া ঘাট থেকে সেন্টমার্টিন দ্বীপের উদ্দেশ্যে ছেড়ে গেছে।

ট্রলারের টিকেট বিক্রেতা মোহাম্মদ ওমর ফারুক বলেন, সোমবার আবহাওয়া স্বাভাবিক হওয়ায় দুপুরের দিকে যাত্রীবাহী এসবি রাফিয়া ও এসবি আশিক নামে ট্রলারে করে ৭৭ শিশু, নারী ও পুরুষ যাত্রী এবং একটি সার্ভিস ট্রলারে খাদ্যপণ্য তরি-তরকারিবোঝাই দুটি ট্রলার সেন্টমার্টিনের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছে।

যাত্রী নবী হোসেন বলেন, প্রায় ১০ দিন আগে টেকনাফে চিকিৎসা করতে এসে আটকে পড়েছিলাম। সাগর উত্তাল থাকায় নৌযান চলাচল বন্ধ ছিল। পরিবার-পরিজন ছিল সেন্টমার্টিন আর আমি ছিলাম টেকনাফে। এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে সার্ভিস ট্রলার চলাচল শুরু হলে আমিসহ দ্বীপের প্রায় শতাধিক শিশু, নারী ও পুরুষ ট্রলারের সেন্টমার্টিন যাচ্ছে।

সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের (ভারপ্রাপ্ত) চেয়ারম্যান ফয়েজুল ইসলাম বলেন, ‘নৌযান চলাচল চারদিন বন্ধ থাকায় টেকনাফ থেকে কোনো খাদ্যপণ্য না আসায় দ্বীপে খাদ্যের সংকট দেখা দেয়। প্রতিবছর র্বষা এলে দ্বীপের বাসিন্দাদের কষ্ট বাড়ে। সকাল ১০টার দিকে সেন্টমাটিন জেটিঘাট এলাকা দিয়ে এসবি ফারুক ও এসবি সাদিয়া নামে দুটি ট্রলারে প্রায় দেড় শতাধিক যাত্রী নিয়ে টেকনাফের উদ্দেশ্যে ছেড়ে গেছে।’

এখানকার মানুষের কথা বিবেচনা করে জরুরি ভিত্তিতে সি-ট্রাক ও সি-অ্যাম্বুলেন্স চালু করার জন্য বতমান সরকারের কাছে জোর দাবি জানান চেয়ারম্যান ফয়েজুল ইসলাম।

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ এহসান উদ্দিন বলেন, ‘বৈরী আবহাওয়ার কারণে সবধরনের নৌযান চলাচল চারদিন ধরে বন্ধ রাখা হয়েছিল। রোববার আবহাওয়া অধিদফতর সতর্ক সংকেত প্রত্যাহার করেছে। পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক হওয়ায় এ রুটে আবার নৌযান চালু করা হয়েছে।’

এমকে/টিএ

মন্তব্য করুন