© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

লর্ডসের ঐতিহাসিক ঘাস বিক্রির সিদ্ধান্ত, ঘরে নেয়ার সুযোগ ভক্তদের

শেয়ার করুন:
লর্ডসের ঐতিহাসিক ঘাস বিক্রির সিদ্ধান্ত, ঘরে নেয়ার সুযোগ ভক্তদের

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৬:১৩ পিএম | ০৮ আগস্ট, ২০২৫

<div style="text-align: justify;"><span style="">ক্রিকেটের সবচেয়ে ঐতিহ্যবাহী ভেন্যুর কথা বললে একদম শুরুত...

ক্রিকেটের সবচেয়ে ঐতিহ্যবাহী ভেন্যুর কথা বললে একদম শুরুতেই আসবে লর্ডসের নাম। ঐতিহাসিক লর্ডসে একবার করে হলেও পায়ের চিহ্ন রাখার স্বপ্ন দেখেন ক্রিকেটাররা। আর যদি স্টেডিয়ামের অনার্স বোর্ডে নাম লেখানো যায় তাহলে তো কথাই নেই। কেমন হতো যদি কিংবদন্তি ক্রিকেটারদের পদধূলিতে মুখরিত অসংখ্য ইতিহাসের সাক্ষী লর্ডসের ঘাস থাকে আপনার কাছে? এবার সত্যি হচ্ছে সেই স্বপ্ন। কারণ আগামী কিছুদিন কেনা যাবে লর্ডসের ঘাস।

‘হোম অব ক্রিকেট’খ্যাত ঐতিহাসিক লর্ডসের ঘাস বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্টেডিয়াম কর্তৃপক্ষ। ১.২ মিটার বাই ০.৬ মিটার আকৃতির এক টুকরো ঘাসের দাম পড়বে ৫০ পাউন্ড। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ৮১৬৪ টাকা।

লর্ডস ক্রিকেট গ্রাউন্ডের অফিশিয়াল এক্স হ্যান্ডল থেকে দেওয়া এক পোস্টে বলা হয়েছে, ‘এই শরতে আমরা ঐতিহাসিক লর্ডসের আউটফিল্ড নতুন করে বসানোর প্রস্তুতি নিচ্ছি। আর তাই মূল মাঠের ঘাসের একটি অংশ ভক্তদের নিজেদের ঘরে নিয়ে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। সংখ্যা সীমিত। লর্ডস থেকে ২৯ বা ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এটি সংগ্রহ করা যাবে। কেউ মিস করবেন না।’

লর্ডসের আউটফিল্ড নতুন করে বসানোর ব্যাপারে ব্রিটিশ গণমাধ্যম ‘দ্য টেলিগ্রাফ’ জানিয়েছে,স্টেডিয়ামের আউটফিল্ডের মাঠ সেপ্টেম্বরে খোঁড়া হবে। তবে ২০টি পিচের মধ্যে মূল স্কয়ারটি অক্ষত রাখা হবে। ওপরের অংশের ১৫ মিলিমিটার ঘাস কেটে ফেলা হবে। সেখানে নতুন বীজ বপন করে পুরোপুরি নতুন একটি ঘাসের স্তর বানানো হবে।



সাম্প্রতিক সময়ে আউটফিল্ডে ফিল্ডারদের ডাইভ দেওয়ার সঙ্গে ঘাস ওঠার ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় আউটফিল্ডে নতুন করে ঘাস বসানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যে ঘাসগুলো তুলে ফেলা হবে, সেগুলো মেরিলিবোন ক্রিকেট ক্লাবের (এমসিসি) জন্য কাজে লাগানো হবে। এমসিসি সদস্যদের কাছে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘এমসিসি ফাউন্ডেশনের জন্য তহবিল সংগ্রহ করা এবং ভবিষ্যতে মাঠের উন্নয়নে সহায়তা করতে সবাইকে লর্ডসের ঘাসের একটি টুকরা কেনার সুযোগ করে দিচ্ছি। এখানে অসংখ্য জাদুকরী মুহূর্তের জন্ম হয়েছে।’

১৮১৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে লর্ডস। ২০০৫ সালের আগপর্যন্ত আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) সদর দপ্তর ছিল এখানেই। একসময়ের ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা এমসিসির (মেরিলিবোন ক্রিকেট ক্লাব) মাঠ এই লর্ডস। বর্তমানে ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডের (ইসিবি) কার্যালয়ও এখানে। ১৯৭৫, ১৯৭৯, ১৯৮৩, ১৯৯৯, ২০১৯- এখন পর্যন্ত এই পাঁচটি ওয়ানডে বিশ্বকাপের ফাইনাল হয়েছে লর্ডসে।

সবশেষ ২০১৯ সালে লর্ডসে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ইংল্যান্ড। এই লর্ডসেই শহীদ আফ্রিদির অলরাউন্ড নৈপুণ্যে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে ২০০৯ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জেতে পাকিস্তান। এখানে ৫ উইকেট ও সেঞ্চুরি করলে ‘অনার্স বোর্ডে’ নাম ওঠে। কিছুদিন আগে লর্ডসে ‘অ্যান্ডারসন-টেন্ডুলকার ট্রফি’র ভারত-ইংল্যান্ড সিরিজের তৃতীয় টেস্ট হয়েছে। বর্তমানে চলছে দ্য হানড্রেডের ম্যাচ।

এমকে/টিকে

মন্তব্য করুন