উচ্চশিক্ষায় উন্নতির লক্ষ্যে চায়নার আদলে নতুন প্রোগ্রাম চালুর প্রস্তাব মির্জা গালিবের
ছবি: সংগৃহীত
১০:৩০ পিএম | ১৭ আগস্ট, ২০২৫
<div><div><div style="text-align: justify; ">বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষায় উন্নতির লক্ষ্যে চায়নার আদলে একটি
বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষায় উন্নতির লক্ষ্যে চায়নার আদলে একটি প্রোগ্রামের উদ্যোগ নেওয়ার প্রস্তাব উপস্থাপন করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়ার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি ড. মির্জা গালিব।
রবিবার রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে এ নিয়ে একটি পোস্ট দিয়েছেন তিনি।
মির্জা গালিব তার পোস্টে বলেন, ২০০৮ সালে চায়না Thousand Talents Program নামে একটি উদ্যোগ শুরু করে। এর লক্ষ্য ছিল বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে কর্মরত চায়নিজ অধ্যাপক ও গবেষকদের দেশে ফিরিয়ে আনা এবং বিভিন্ন চায়নিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে তাদের নিয়োগ দেওয়া।
এই প্রগ্রামের অধীনে প্রায় ৭ হাজার উচ্চ দক্ষতাসম্পন্ন জনবল বিভিন্ন দেশ থেকে চায়নায় ফিরে আসে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশেও এখন এমন একটি প্রগ্রামের প্রয়োজন। গ্লোবাল র্যাংকিংয়ের শীর্ষ ১০০ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি বা পোস্টডক সম্পন্ন করা, Q1 স্তরের জার্নালে প্রকাশনা থাকা—এমন যোগ্যতাসম্পন্ন ১০০ জন গবেষককে দেশে ফেরানোর জন্য একটি বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া উচিত। এদের সরাসরি অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হবে; যোগ্যতার ভিত্তিতে কেউ কেউ অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর হিসেবেও নিয়োগ পেতে পারেন।
তিনি আরো বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলো প্রথমে তাদের স্থায়ী পদে নিয়োগ দেবে, এরপর এই বিশেষ প্রগ্রামের আওতায় তাদের একটি ফেলোশিপ প্রদান করা হবে। ফেলোশিপে থাকবে : এককালীন সেটলমেন্ট বোনাস; নিয়মিত বেতনের বাইরে ১০ বছরের জন্য একটি অতিরিক্ত মাসিক গবেষণা ভাতা; রিসার্চ গ্রুপ ডেভেলপমেন্টের জন্য একটি বরাদ্দ, যা শুধুমাত্র গবেষণার কাজে ব্যবহারযোগ্য; এবং প্রত্যেক ফেলোশিপপ্রাপ্ত প্রফেসরের জন্য সংশ্লিষ্ট ডিপার্টমেন্টের গবেষণা ফান্ডে একটি এককালীন বরাদ্দ, যেন বিশ্ববিদ্যালয় ও ডিপার্টমেন্টগুলো নিজেদের মধ্যে প্রতিযোগিতা করে।
মির্জা গালিব বলেন, এই উদ্যোগ ঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে, কয়েক বছরের মধ্যে কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন ডিপার্টমেন্টে কতজন ফেলোশিপপ্রাপ্ত অধ্যাপক রয়েছেন—তা দেখে শিক্ষার্থীরাও কোথায় ভর্তি হবে সেই সিদ্ধান্ত নিতে পারবে। প্রতিযোগিতা আরো উৎসাহিত করার জন্য পাবলিক এবং প্রাইভেট—দুই ধরনের বিশ্ববিদ্যালয়কেই এই প্রগ্রামের আওতায় আনা যেতে পারে।
এমআর/এসএন