© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

ভারতকেই ফেভারিট হিসেবে দেখছেন ওয়াসিম আকরাম

শেয়ার করুন:
ভারতকেই ফেভারিট হিসেবে দেখছেন ওয়াসিম আকরাম

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৯:২৮ এএম | ২৭ আগস্ট, ২০২৫

<div><div style="text-align: justify; ">দুই দেশের মাঝে বেশ জলঘোলা পরিস্থিতিতেও আসন্ন এশিয়া কাপে একই ...

দুই দেশের মাঝে বেশ জলঘোলা পরিস্থিতিতেও আসন্ন এশিয়া কাপে একই গ্রুপে পড়েছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত-পাকিস্তান। গ্রুপপর্বে আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর বহুল কাঙ্ক্ষিত হাইভোল্টেজ ম্যাচে দুই দল মুখোমুখি হবে। যা নিয়ে এখন থেকেই শুরু হয়েছে কথার লড়াই। ভারত-পাকিস্তানের মাঝে কার কেমন শক্তি তা নিয়ে পর্যালোচনা দিয়েছেন কিংবদন্তি ওয়াসিম আকরামও।

এশিয়া কাপে ভারত-পাকিস্তানের আসন্ন লড়াই রোমাঞ্চকর ও বেশ বিনোদনমূলক হবে বলে ধারণা সাবেক এই পাকিস্তানি তারকার, ‘ভারত-পাকিস্তানের অন্য সকল ম্যাচের মতোই আমি নিশ্চিত এই লড়াইও অনেক আমোদপূর্ণ হবে। তবে আশা করি সকল ক্রিকেটার এবং সমর্থক শৃঙ্খলাবদ্ধ থাকবে, কেউই তাদের সীমা অতিক্রম করবে না।’

মহাদেশীয় এই প্রতিযোগিতায় ‘এ’ গ্রুপে রয়েছে দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দল। যেখানে ভারতকে ফেভারিট হিসেবেই দেখছেন আকরাম, ‘যদি ভারতীয়রা দেশপ্রেমিক হয়ে থাকে এবং জিততে চায়, একই বিষয় পাকিস্তানি সমর্থকদের জন্যও প্রযোজ্য। সাম্প্রতিক সময়ে ভারত তুলনামূলক ভালো ফর্মে আছে এবং তারা ফেভারিট হিসেবেই টুর্নামেন্ট শুরু করবে। কিন্তু ওই দিনের চাপ যে দল সামলাতে পারবে, পরস্পরের লড়াইয়ে তারাই জিতবে।’



চলতি বছরের শুরুতে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির গ্রুপ পর্বে দুবাইয়ের মাঠেই ভারত-পাকিস্তান মুখোমুখি হয়েছিল। পাকিস্তানকে সহজেই হারিয়েছিল ভারত। সেটা ছিল ওয়ানডে ম্যাচ। তার আগে ২০২৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপপর্বের ম্যাচেও ভারতের কাছে হেরেছিল পাকিস্তান। ১২০ রানও তাড়া করতে পারেনি তারা। এরও আগে ২০২৩ সালে ভারতের মাঠে ওয়ানডে বিশ্বকাপের গ্রুপপর্বের ম্যাচেও বাবর-রিজওয়ানরা হেরেছিল। ২০২২ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও বিরাট কোহলিদের কাছে হারতে হয়েছিল পাকিস্তানকে। আইসিসির প্রতিযোগিতায় পাকিস্তানের বিপক্ষে রেকর্ড সমৃদ্ধ ভারতের।

আগামী ৯ থেকে ২৮ সেপ্টেম্বর সংযুক্ত আরব আমিরাতের মাটিতে এশিয়া কাপের আসর বসবে। মহাদেশীয় এই সর্বোচ্চ প্রতিযোগিতায় ভারত-পাকিস্তান ছাড়াও ‘এ’ গ্রুপে রয়েছে ওমান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত। ‘বি’ গ্রুপে আছে বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, আফগানিস্তান ও হংকং।

এসএস/এসএন

মন্তব্য করুন