কিশোরগঞ্জের পাগলা মসজিদ সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আস্থা, বিশ্বাস ও আধ্যাত্মিকতার কেন্দ্র হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে দানের ব্যতিক্রমী ধারার জন্য এই মসজিদ দেশজুড়ে পরিচিতি পেয়েছে। প্রতিবারই এই ধারায় যুক্ত হয় নতুন চমক। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি।
এদিকে, পাগলা মসজিদের দানবক্সে পাওয়া গেলো এক চিরকুট। যে চিরকুটে লেখা রয়েছে, ‘শেখ হাসিনা আসবে বাংলাদেশ হাসবে’ শনিবার (৩০ আগস্ট) সকাল ৭টায় পাগলা মসজিদের ১৪টি দানবাক্স খুলে ৩২ বস্তা টাকা পাওয়া যায়। পরে মসজিদ কমপ্লেক্সের দ্বিতীয় তলায় এনে গণনা শুরু হয়।
চিঠিতে লেখা রয়েছে, ‘শেখ হাসিনা আসবে বাংলাদেশ হাসবে, শেখ হাসিনা বীরের বেশে আসবে ফিরে বাংলাদেশে, জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু।’
জানা গেছে, এবার ৪ মাস ১৮ দিন পর পাগলা মসজিদের দানবাক্সগুলো খোলা হয়। মসজিদ ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য, মসজিদ কমপ্লেক্সে অবস্থিত মাদরাসা ও এতিমখানার শিক্ষক-শিক্ষার্থী, পার্শ্ববর্তী জামিয়া এমদাদিয়া মাদরাসার শিক্ষার্থী, রূপালী ব্যাংক কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ চার শতাধিক মানুষের একটি দল এসব বস্তাভর্তি টাকা গণনার কাজে অংশ নিয়েছেন।
তিন মাস পরপর দানবাক্সগুলো খোলা হলেও এবার ৪ মাস ১৮ দিন পর দানবাক্স খোলা হয়। এ কারণে এবার নতুন করে বসানো হয়েছে আরও দুইটি দানবাক্স।
উল্লেখ্য, ৪ মাস ১৭ দিন পর আজ শনিবার (৩০ আগস্ট) সকালে খোলা হয় মসজিদের ১৩টি দানবাক্স। সময় বেশি নিয়ে দানবাক্স খোলায় অনেকেই ধারণা করছেন, এবার দানের পরিমাণ আগের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যেতে পারে। সকাল ৭টায় দানবাক্স খোলার কাজ শুরু হয় জেলা প্রশাসনের উপস্থিতিতে। দানবাক্সগুলো খোলার পর সংগৃহীত টাকা বস্তায় ভরে মসজিদের দোতলায় নেওয়া হয়।
টাকাগুলো ভরতে মোট ৩২টি বস্তার প্রয়োজন হয়। সঙ্গে রয়েছে সোনা-রূপার অলঙ্কার ও বিভিন্ন দেশের মুদ্রা।
এসএস/এসএন