নেদারল্যান্ডসকে সামনে পেয়ে রীতিমতো আগুন ঝরালেন তাসকিন আহমেদ! এই ডানহাতি পেসারকে সামলাতে চোখে সর্ষে ফুল দেখেছেন ডাচ ব্যাটাররা। এদিন দুর্দান্ত ছিলেন মুস্তাফিজুর রহমানও, বেশ মিতব্যায়ী বোলিং করেছেন তিনি। তাসকিন-মুস্তাফিজদের আলো ছড়ানোর দিনে দেড়শ রানও স্কোরবোর্ডে তুলতে পারেনি নেদারল্যান্ডস।
সিলেটে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে উইকেট হারিয়ে রান করে নেদারল্যান্ডস। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ২৬ রান করেছেন তেজা। বাংলাদেশের হয়ে ২৮ রানে ৪ উইকেট শিকার করে ইনিংসের সেরা বোলার তাসকিন।
সিলেটে নেদারল্যান্ডসের প্রথম ৪টি উইকেট ভাগাভাগি করে নেন তাসকিন আহমেদ ও সাইফ আহমেদ। টস জিতে বোলিং বেছে নেওয়া বাংলাদেশ স্পিন দিয়ে আক্রমণ শুরু করেছিল। প্রথম ৩ ওভারের ২টিই করেন শেখ মেহেদী, দ্বিতীয় ওভারটি করেন শরিফুল ইসলাম। ওই ৩ ওভারে বিনা উইকেটে ২৫ রান তুলে ভালো পথেই ছিল নেদারল্যান্ডস। চতুর্থ ওভারে বল হাতে নিয়েই ডাচদের উদ্বোধনী জুটি ভেঙে দেন তাসকিন আহমেদ। প্রথম বলে তিনি ফেরান ২৩ রান করা ম্যাক্স ও’দাউদকে।
ইনিংসের দ্বিতীয় ওভার করে ১৩ রান দেওয়া শরিফুল নিজের অন্য রূপ দেখান দ্বিতীয়বার বল করতে এসে। পঞ্চম ওভারে আন্তর্জাতিক টি-২০ ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় মেডেন তুলে নেন তিনি। প্রথম মেডেনটি আদায় করেছিলেন গত বছর শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। পাওয়ার প্লে শেষে তাসকিন আবার বল হাতে নিজের দ্বিতীয় শিকারে পরিণত করেন আরেক ওপেনার ভিক্রমজিৎ সিংকে।
পরের দুটি উইকেট নেন সাইফ হাসান। দলীয় ১০ম ওভার করতে এসে চতুর্থ বলে স্কট এডওয়ার্ডস ও শেষ বলে তেজা নিদামানুরুকে যথাক্রমে জাকের আলী ও তাওহীদ হৃদয়ের ক্যাচ বানান। এদের মধ্যে নিদামানুরু করেন দলীয় সর্বোচ্চ ২৬ রান।
ধীরে ধীরে চলতে থাকা ডাচদের রানের চাকা আরও ধীর হয় বাংলাদেশ ৪ উইকেট তুলে নেওয়ার ফলে। ১০০ রান পূর্ণ করতে ১৬ ওভার খেলতে হয় তাদের। এরমধ্যে মোস্তাফিজুর রহমান তুলে নেন শারিজ আহমেদের উইকেট। তাসকিন নিজের তৃতীয় ওভারে কাইল ক্লেইন ও শেষ ওভারে নোয়াহ ক্রোসকে ফিরিয়ে ৪ উইকেট পূর্ণ করেন, বিনিময়ে রান দেন ২৮।
শেষ ৪ ওভারে নেদারল্যান্ডস তুলে ৩৪ রান, ইনিংসের শেষ বলে দুই রান নিতে গিয়ে লিটনের লিটনের কাছে রানআউট হন টিম প্রিঙ্গল।
ইএ/টিকে