বাংলাদেশকে ১৩৭ রানের টার্গেট দিল নেদারল্যান্ডস

নেদারল্যান্ডসকে সামনে পেয়ে রীতিমতো আগুন ঝরালেন তাসকিন আহমেদ! এই ডানহাতি পেসারকে সামলাতে চোখে সর্ষে ফুল দেখেছেন ডাচ ব্যাটাররা। এদিন দুর্দান্ত ছিলেন মুস্তাফিজুর রহমানও, বেশ মিতব্যায়ী বোলিং করেছেন তিনি। তাসকিন-মুস্তাফিজদের আলো ছড়ানোর দিনে দেড়শ রানও স্কোরবোর্ডে তুলতে পারেনি নেদারল্যান্ডস।

সিলেটে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে উইকেট হারিয়ে রান করে নেদারল্যান্ডস। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ২৬ রান করেছেন তেজা। বাংলাদেশের হয়ে ২৮ রানে ৪ উইকেট শিকার করে ইনিংসের সেরা বোলার তাসকিন।

সিলেটে নেদারল্যান্ডসের প্রথম ৪টি উইকেট ভাগাভাগি করে নেন তাসকিন আহমেদ ও সাইফ আহমেদ। টস জিতে বোলিং বেছে নেওয়া বাংলাদেশ স্পিন দিয়ে আক্রমণ শুরু করেছিল। প্রথম ৩ ওভারের ২টিই করেন শেখ মেহেদী, দ্বিতীয় ওভারটি করেন শরিফুল ইসলাম। ওই ৩ ওভারে বিনা উইকেটে ২৫ রান তুলে ভালো পথেই ছিল নেদারল্যান্ডস। চতুর্থ ওভারে বল হাতে নিয়েই ডাচদের উদ্বোধনী জুটি ভেঙে দেন তাসকিন আহমেদ। প্রথম বলে তিনি ফেরান ২৩ রান করা ম্যাক্স ও’দাউদকে।

ইনিংসের দ্বিতীয় ওভার করে ১৩ রান দেওয়া শরিফুল নিজের অন্য রূপ দেখান দ্বিতীয়বার বল করতে এসে। পঞ্চম ওভারে আন্তর্জাতিক টি-২০ ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় মেডেন তুলে নেন তিনি। প্রথম মেডেনটি আদায় করেছিলেন গত বছর শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। পাওয়ার প্লে শেষে তাসকিন আবার বল হাতে নিজের দ্বিতীয় শিকারে পরিণত করেন আরেক ওপেনার ভিক্রমজিৎ সিংকে।

পরের দুটি উইকেট নেন সাইফ হাসান। দলীয় ১০ম ওভার করতে এসে চতুর্থ বলে স্কট এডওয়ার্ডস ও শেষ বলে তেজা নিদামানুরুকে যথাক্রমে জাকের আলী ও তাওহীদ হৃদয়ের ক্যাচ বানান। এদের মধ্যে নিদামানুরু করেন দলীয় সর্বোচ্চ ২৬ রান।

ধীরে ধীরে চলতে থাকা ডাচদের রানের চাকা আরও ধীর হয় বাংলাদেশ ৪ উইকেট তুলে নেওয়ার ফলে। ১০০ রান পূর্ণ করতে ১৬ ওভার খেলতে হয় তাদের। এরমধ্যে মোস্তাফিজুর রহমান তুলে নেন শারিজ আহমেদের উইকেট। তাসকিন নিজের তৃতীয় ওভারে কাইল ক্লেইন ও শেষ ওভারে নোয়াহ ক্রোসকে ফিরিয়ে ৪ উইকেট পূর্ণ করেন, বিনিময়ে রান দেন ২৮।

শেষ ৪ ওভারে নেদারল্যান্ডস তুলে ৩৪ রান, ইনিংসের শেষ বলে দুই রান নিতে গিয়ে লিটনের লিটনের কাছে রানআউট হন টিম প্রিঙ্গল।

ইএ/টিকে

Share this news on:

সর্বশেষ

img
নূরের ওপর হামলা দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের অংশ: ডা. জাহিদ Aug 31, 2025
কঠিন আর্থিক সময়, গহনা বিক্রি করলেন অপু! Aug 31, 2025
img
শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষে উত্তপ্ত চবি এলাকা, আহত অনেকে Aug 31, 2025
পরিবার নিয়ে এল কেএফসি, খতে পারলেন না আফ্রিদি Aug 31, 2025
এক এগারো নিয়ে যে হুশিয়ারি রাশেদের Aug 31, 2025
জাহ্নবীর জীবনে নতুন অধ্যায়, সামনে এলো তাঁর স্বামীর নাম! Aug 31, 2025
‘নির্বাচিত সরকার বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে কাজ করবে কিনা ভাবতে হচ্ছে’ Aug 31, 2025
গুমের শিকার পরিবারগুলোর জন্য যে উদ্যোগ নেয়ার কথা বললেন নাবিলা Aug 31, 2025
ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে নির্বাচন প্রতিহত করার কোনো শক্তি নেই: প্রেস সচিব Aug 31, 2025
১০ মিনিটে গোটা বিশ্বের সারাদিনের সর্বশেষ আলোচিত সব খবর Aug 31, 2025
img
রুমিন ফারহানার এলাকায় এসেছি, তিনি আমাদের জন্য উপহার পাঠিয়েছেন: হাসনাত Aug 31, 2025
img
‘ভাবতাম মন্ত্রীরা পদত্যাগ করে না, এখন দেখি ঐ চেয়ার নির্লজ্জদের জন্যই’ Aug 31, 2025
img
নির্বাচনের আগে নিশ্চিত করুন আম্পায়ার কোনো দলের পক্ষে না: হাসনাত আবদুল্লাহ Aug 31, 2025
img
বাংলাদেশে এই পোলারা জন্মালো কীভাবে যাদের পাকিস্তানি মনোভাব: কাদের সিদ্দিকী Aug 31, 2025
img
মৃত্যুর গুজবের পর প্রথমবার জনসমক্ষে এলেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প Aug 31, 2025
img
নুরের চিকিৎসার খোঁজ নিলেন খালেদা জিয়া Aug 31, 2025
img
অতিরিক্ত সময়ের পেনাল্টিতে মৌসুমের প্রথম জয় ইউনাইটেডের Aug 31, 2025
img
ত্রিদেশীয় সিরিজে টানা দ্বিতীয় জয় পেল পাকিস্তান Aug 31, 2025
img
নুরের ওপর হামলার ঘটনার প্রতিবাদে উত্তাল গলাচিপা Aug 31, 2025
img
সংস্কার না হলে আমাদের পরিণতিও ভিপি নূরের মত হবে: হাসনাত আবদুল্লাহ Aug 31, 2025