নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে বড় জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৩৬ রান তোলে সফরকারীরা। জবাবে ব্যাট করতে নেমে অধিনায়ক লিটনের ফিফটিতে ৩৯ বল হাতে রেখেই ৮ উইকেটের জয় পায় স্বাগতিকরা। তবে লিটন দাস ম্যাচ জয়ের পুরো কৃতিত্বটা দিয়েছেন ইমন-সাইফদের।
সিলেট স্টেডিয়ামে শনিবার (৩০ আগস্ট) টসে জিতে আগে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় টাইগাররা। আগে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো করলেও বড় সংগ্রহ করতে পারেনি সফরকারী নেদারল্যান্ডস। তাসকিন আহমেদের বোলিং তোপে ১৩৬ রানেই আটকে যায় ডাচরা। ৪ ওভারের কোটা পূরণ করে ২৮ রান খরচায় ৪ উইকেট শিকার করেছেন ডানহাতি এই পেসার। এ ছাড়া সাইফ হাসান নিয়েছেন দুটি উইকেট।
বোলিংয়ের পাশাপাশি এদিন ব্যাট হাতেও দারুণ ভূমিকা রেখেছেন সাইফ। ১৯ বলে ৩৬ রানের ইনিংস খেলে টাইগারদের বড় জয় নিশ্চিত করেন এই ব্যাটার। টানা দুই ছক্কায় জয় নিশ্চিত করেই মাঠ ছাড়েন তিনি। লিটনের সঙ্গে তৃতীয় উইকেট জুটিতে ৫৪ রান যোগ করেন সাইফ।
তবে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়ার নায়ক ছিলেন পারভেজ হোসেন ইমন। টানা দুই চারে ইনিংস শুরু করেন বাঁহাতি এই ওপেনার। পরের বলেই হাঁকান বিশাল ছক্কা। আর সেই মুহূর্তের মোমেন্টাম পেয়ে যায় বাংলাদেশ, এমনটাই মনে করেন টাইগার অধিনায়ক লিটন দাস।
‘ডিউ (শিশির) বড় ফ্যাক্টর ছিল। আমাদের বোলাররা যেমন বল করেছে- তাসকিন, ফিজ আর মাঝে সাইফও দারুণ বল করেছে। রিশাদ যখন বল করতে এলা, তখনই ডিউয়ের কারণে সমস্যা হচ্ছিল। আর বল গ্রিপ করতে কষ্ট হচ্ছিল। এমন উইকেটে ১৩৭ খুব বড় টার্গেট নয়। আর ইমন প্রথম ওভারেই যেভাবে শট খেলল, সেখান থেকেই ম্যাচের মোড় ঘুরে গেল।’
এদিন দারুণ বোলিং করে ম্যাচ সেরার পুরস্কার জিতেছেন তাসকিন আহমেদ। এর আগে বেশ কিছুদিন ধরেই ইনজুরির সমস্যায় ভুগছিলেন তাসকিন। এমনকি ইংল্যান্ডে তাকে চিকিৎসাও নিতে হয়েছিল। শ্রীলঙ্কা সিরিজ দিয়ে মাঠে ফিরলেও পুরো ছন্দে ছিলেন না। তবে তাসকিন জানিয়েছেন, ধীরে ধীরে ছন্দ ফিরে পাচ্ছেন তিনি।
ইএ/টিকে