© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

ভারতে মদ্যপানে বিষক্রিয়ায় ৮৬ জনের মৃত্যু

শেয়ার করুন:
ভারতে মদ্যপানে বিষক্রিয়ায় ৮৬ জনের মৃত্যু
international-desk
০২:৪০ পিএম | ০২ আগস্ট, ২০২০

ভারতের পাঞ্জাবে মদ খেয়ে বিষক্রিয়ায় ৮৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছেই। শুক্রবার এ সংখ্যা ছিল ২১ জন। একদিন পরেই মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৬ জনে। এ ঘটনায় পাঞ্জাব জুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়েছে।

ভারতের পাঞ্জাবে মদ খেয়ে বিষক্রিয়ায় ৮৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছেই। শুক্রবার এ সংখ্যা ছিল ২১ জন। একদিন পরেই মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৬ জনে। এ ঘটনায় পাঞ্জাব জুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়েছে।

পাঞ্জাবের সরকারি কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে বিবিসি এসব তথ্য দিয়েছে। বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্ষতিকর পদার্থ মিশ্রিত মদ বিক্রির দায়ে শনিবার পাঞ্জাবের অমৃতসর, রুরাল, গুরুদাসপুর ও তরণ তারণর নামক তিন জেলার ১০০ টি জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালিয়েছে রাজ্য পুলিশ। এসব অভিযানে ২৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এঘটনায় ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুক্রবার রাত পর্যন্ত পাঞ্জাবের তরণ তারণ জেলায় মৃতের সংখ্যা ছিল ১৯ জন। শনিবার তা বেড়ে দাড়িয়েছ ৪২ জনে। এছাড়া অমৃতসরে ১১, বাটালা ও গুরুদাসপুরে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।

পাঞ্জাবের ডেপুটি কমিশনার অফ পুলিশ কুলবন্ত সিং জানিয়েছেন, তরণ তারণ জেলা সদর এবং শহর এলাকায় মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে। এঘটনায় তদন্ত শুরু হয়েছে।

পাঞ্জাবের এক উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্মকর্তা জানান, শুক্রবার বিষমদ পানে অসংখ্য মানুষ মারা গেছে। যা সরকারি হিসাবের তুলনায় আরও বেশি। কারণ ভুক্তভোগী অনেক পরিবার সম্মানের কথা বিবেচনা করে বিষয়টিকে সামনে আনতে চাচ্ছেন না। এছাড়া অনেক পরিবার আইনী ঝামেলায় জড়াতে চাইছে না। যে কারণে মৃতের প্রকৃত সংখ্যা জানা যাচ্ছে না।

গুরুদাসপুরের জেলা প্রশাসক মোহম্মদ ইসফাক বলেন, অনেক পরিবার এটাই স্বীকার করছে না যে, বিষাক্ত মদ পানের কারণে তাদের পরিজনের মৃত্যু হয়েছে। পরিবারগুলো দাবি করছেন, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে এসব মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে।

প্রসঙ্গত, করোনা প্রাদুর্ভাবের কারণে লকডাউন বলবৎ থাকায় ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে মদের দোকান বন্ধ রয়েছে। তাই উপায় না পেয়ে ঘরে ঘরে বানানো হচ্ছে চোলাই মদ। এসব মদ বিষে পরিণত হচ্ছে নিমেষেই। আর তা পান করে প্রতিদিনই কোনো না কোনো ভারতীয় মারা যাচ্ছেন।

 

টাইমস/এসএন

মন্তব্য করুন