• ঢাকা, বাংলাদেশ
  • রোববার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৭ আশ্বিন ১৪২৬

রোহিঙ্গা গ্রাম বলে কিছুই অবশিষ্ট নেই!

রোহিঙ্গা গ্রাম বলে কিছুই অবশিষ্ট নেই!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক১০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০৪:৩২পিএম, ঢাকা-বাংলাদেশ।

মিয়ানমারের আরাকান রাজ্য থেকে রোহিঙ্গাদের বিতাড়নের পর সেখানে ব্যাপকভাবে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে দেশটির সরকার। গ্রামগুলোতে পুলিশ ব্যারাক, সরকারি ভবন ও শরণার্থী ক্যাম্প নির্মাণ করা হয়েছে। ফলে রোহিঙ্গাদের পুরনো গ্রাম বলে কিছুই এখন আর অবশিষ্ট নেই।

সম্প্রতি স্যাটেলাইটের ছবি ও রিপোর্টারদের সরেজমিন প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে এমনটি দাবি করেছে আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম বিবিসি।

স্যাটেলাইট চিত্র থেকে বিবিসি জানায়, কমপক্ষে চারটি রোহিঙ্গা গ্রামকে পুরোপুরি সরকারি অবকাঠামোতে রূপান্তর করা হয়েছে।

এর আগে মার্কিন সংবাদ মাধ্যম ইউরো এশিয়া রিভিউ ২০১৮ সালের মার্চের শুরুতে জানায়,২০১৭ সালের শেষ থেকে মিয়ানমার সরকার ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে কমপক্ষে ৪৫৫টি গ্রামের সব অবকাঠামো ও ফসলের ক্ষেত ধ্বংস করে দেয়।

চলতি বছরের জানুয়ারিতে অ্যামনেস্টির সবশেষ গবেষণায় রাখাইনে রোহিঙ্গাদের বহু  গ্রাম জ্বালিয়ে ও  বুলডোজারে  গুড়িয়ে দেওয়ার আলামত উঠে আসে। ফেব্রুয়ারিতে মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ দাবি করে, মিয়ানমার সেনাবাহিনী অর্ধশতাধিক গ্রাম বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দিয়েছে। ওই বছর মার্চের শুরুতে নতুন করে অ্যামনেস্টির দেওয়া বিবৃতি থেকে অন্তত  ৩টি সামরিক ঘাঁটি ও রাস্তাঘাট নির্মাণ চলমান থাকার কথা জানা যায়। এবার বিবিসির প্রতিবেদনেও গ্রাম নিশ্চিহ্ন করে সরকারি অবকাঠামো নির্মাণের প্রমাণ উঠে এলো।

বিবিসির খবরে বলা হয়, রাখাইন রাজ্যে প্রবেশাধিকার কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত।সরকারি একটি গাড়ি বহরে করে সংবাদকর্মীদের সেখানে নিয়ে যাওয়া হয়।তবে তাদের কেউই পুলিশের অনুপস্থিতিতে কোনো ভিডিও ধারণ বা সাক্ষাৎকার গ্রহণ করতে পারেননি।যদিও সবাই খালি চোখেই দেখতে পারছিলেন কিভাবে রোহিঙ্গা বসতিগুলো থেকে তাদের চিহ্ন মুছে ফেলা হয়েছে।

মিয়ানমারের সরকারি কর্তৃপক্ষ হ্লা পো কং নামের একটি ট্রানজিট ক্যাম্পে নিয়ে যায় সংবাদকর্মীদের।সেখানে ২৫ হাজার রোহিঙ্গাকে রাখার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছে মিয়ানমার।নিজ এলাকায় ফেরত যাওয়ার আগে দুই মাস এখানে কাটাতে হবে রোহিঙ্গাদের।এক বছর আগে বানানো এই ক্যাম্পটির অবস্থা এখনই শোচনীয়।কমিউনিটি টয়লেটগুলো এরই মধ্যে ভেঙে পড়েছে।হো রি তু লার এবং থার জায় কোন নামের দুইটি রোহিঙ্গা গ্রাম সম্পূর্ণ ধ্বংস করে এই ক্যাম্পটি তৈরি করা হয়।

বিবিসির পক্ষ থেকে ওই ক্যাম্পের প্রশাসকের কাছে গ্রামগুলো ধ্বংসের ব্যাপারে জানতে চাওয়া হয়েছিল।তিনি দাবি করেন, কোনো গ্রাম ধ্বংস করা হয়নি।কৃত্রিম উপগ্রহের ছবি দেখানোর পর তিনি বলেন, এই চাকরিতে তিনি নতুন।তাই সব তথ্য তিনি জানেন না।

এরপর সংবাদকর্মীদের নিয়ে যাওয়া হয় কেইন চং নামের একটি স্থানান্তর ক্যাম্পে।যেখানে জাপান ও ভারত সরকারের অর্থায়নে ফেরত আসা রোহিঙ্গাদের জন্য স্থায়ী আবাসন তৈরি করা হয়েছে।কৃত্রিম উপগ্রহের ছবি বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ম্যার জিন নামের একটি রোহিঙ্গা গ্রাম সম্পূর্ণ গুঁড়িয়ে দিয়ে স্থানান্তর ক্যাম্পটি তৈরি করা হয়েছে।এই গ্রামটি মিয়ানমারের বর্ডার গার্ড পুলিশের একটি ব্যারাকের খুব কাছাকাছি।নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন পুলিশ ম্যার জিন গ্রামটি ধ্বংসের কথা স্বীকার করেছেন।

মং ডু শহরের খুব কাছেই ম্যেও থু জি নামের অন্য একটি গ্রামে প্রায় ৮ হাজার রোহিঙ্গা বসতি ছিল।২০১৭ সালে গ্রামটিতে ব্যাপকভাবে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়, জ্বালিয়ে দেওয়া হয় রোহিঙ্গাদের ঘরবাড়ি।আবার রাখাইনের গ্রামগুলো ঐতিহ্যগতভাবেই গাছের প্রাচুর্য থাকে।এবার ম্যেও থু জি পাশ কাটিয়ে যাওয়ার সময় কোনো গাছের অস্তিত্বই পাওয়া যায়নি।তবে সেখানে পুলিশ ব্যারাক আর বিশাল বিশাল সরকারি কমপ্লেক্স গড়ে উঠেছে।

এরপর ইন ডিন গ্রামে নিয়ে যাওয়া হয় সংবাদকর্মীদের।এই গ্রামে ১০ জন রোহিঙ্গাকে নির্যাতনের বিষয়টি স্বীকার করেছিল মিয়ানমারের সেনাবাহিনী।গ্রামটির এক-চতুর্থাংশ অধিবাসী রোহিঙ্গা মুসলমান এবং বাকিরা ছিল বৌদ্ধ।কিন্তু বর্তমানে সেখানে রোহিঙ্গা মুসলমানদের কোনো অস্তিত্বই খুঁজে পাননি সাংবাদিকরা।রোহিঙ্গাদের বাড়ির আশেপাশে যে জায়গাগুলোতে আগে গাছ ছিল, সেখানে এখন নতুন করে কাঁটাতারের বেড়া দেখা গেছে।স্থানীয় বৌদ্ধরা জানিয়েছেন, তারা কোনোভাবেই রোহিঙ্গা মুসলমানদের তাদের আশেপাশে বসবাস করতে দেবেন না।

 

টাইমস/এমএস 

 

চাঁদাবাজ, দুর্নীতিবাজ, সন্ত্রাসীদের নির্মূল করা হবে: ওবায়দুল কাদের

চাঁদাবাজ, দুর্নীতিবাজ, সন্ত্রাসীদের নির্মূল করা হবে: ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ আর দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান শুধু ঢাকায় নয়; পর্যায়ক্রমে সারাদেশেই চলবে। এই অভিযানের মাধ্যমে টেন্ডারবাজ, চাঁদাবাজ, দুর্নীতিবাজ ও সন্ত্রাসীদের নির্মূল করা হবে। যত বড় মাস্তান, যত বড় নেতা, আর যত বড় প্রভাবশালীই হোক না কেন, কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না। শনিবার বিকালে স্থানীয় পর্যটন গলফ মাঠে কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত প্রতিনিধি সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।

ধূমপান কীভাবে ছাড়বেন

ধূমপান কীভাবে ছাড়বেন

সবাই জানেন, ধূমপান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। সিগারেটের প্যাকেটের গায়েও বেশ বড় বড় করে লেখা থাকে ‘ধূমপান ফুসফুস ক্যানসারের কারণ’। তারপরও ধূমপায়ীরা এই সিগারেটের নেশাটা ছাড়তে পারেন না। ধূমপান ছাড়তে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ব্যক্তিও ‘আজকেই শেষ’, ‘এটাই শেষ’ বলতে বলতে সিগারেট খেতেই থাকেন।

নিদ্রাহীনতা দূর করার উপায়

নিদ্রাহীনতা দূর করার উপায়

বিভিন্ন সমস্যার কারণে মানুষের ঘুম কম হতে পারে। আবার কখনো কখনো মাঝরাতে ঘুম ভেঙ্গেও যায়। কখনো অনেকক্ষণ ঘুমের উদ্দেশ্যে বিছানায় শুয়ে থাকলেও ঘুম আসে না। এসব সমস্যা যদি দু-একদিনের জন্য হয়, তাহলে এটাকে নিদ্রাহীনতা ধরা হয় না।

উক্তি প্রতিদিন

“মানুষের গোপন  দুঃখের খবর জগৎ পায় না”

“মানুষের গোপন দুঃখের খবর জগৎ পায় না”

আমেরিকার কবি ও অধ্যাপক হেনরি ওয়ার্ডসওয়ার্থ লংফেলো। ১৮০৭ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি আমেরিকার পোর্টল্যান্ডের মেইনে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন তাঁর সময়ের বিখ্যাত কবি। তিনিই প্রথম আমেরিকান হিসেবে ইটালিয়ান কবি দান্তের মহাকাব্য ‘ডিভাইন কমেডি’র ভাষানুবাদ করেন।

লাইফস্টাইল

জেনে নিন, কী কারণে চুল পড়ছে?

জেনে নিন, কী কারণে চুল পড়ছে?

মানুষের সৌন্দর্যের অলংকার হলো তার চুল। তাই চুল ঝরে পড়তে থাকলে যে কেউ দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়ে পড়েন। চুল পড়া, চুল উঠে যাওয়া বা চুল পাতলা হয়ে যাওয়া নিয়ে যেন চিন্তার অন্ত নেই। ছেলেমেয়ে সবাই এর শিকার।

ইতিহাস

কাশ্মীর যেভাবে ভারত-পাকিস্তানের অংশ হলো

কাশ্মীর যেভাবে ভারত-পাকিস্তানের অংশ হলো

১৯৪৭ সাল থেকে শুরু হয়ে এখন পর্যন্ত মুসলিম অধ্যুষিত কাশ্মীর অঞ্চল নিয়ে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিরোধ চলছে। হিমালয়ের পার্বত্য অঞ্চলে অবস্থিত ৮৬,০০০ বর্গ মাইলের এই এলাকাটি এক সময় স্বাধীন রাজ্য হিসেবে বিবেচিত হতো। বর্তমানে অঞ্চলটি ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিভক্ত আর উভয়েই কাশ্মীরকে নিজেদের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ বলে দাবি করছে।

জাতীয়

যুবলীগ নেতা জি কে শামীমের ১০ দিনের রিমান্ড

যুবলীগ নেতা জি কে শামীমের ১০ দিনের রিমান্ড

আলোচিত যুবলীগ নেতা জি কে শামীমের বিরুদ্ধে তিনটি মামলার মধ্যে দুটি মামলার ইতোমধ্যে শুনানি সম্পন্ন হয়েছে। মামলার বিচারক ছিলেন মহানগর হাকিম মাহমুদা আখতার। তিনি শুনানি শেষে শামীমকে অস্ত্র মামলায় ৫ দিন এবং মাদক মামলায় ৫ দিনসহ মোট ১০ দিন রিমান্ড মঞ্জুর করেন। একই আদালত জি কে শামীমের ৭ দেহরক্ষীর প্রত্যেককে অস্ত্র মামলায় ৪ দিনের রিমান্ড দেন।

রাজনীতি

কৃষক লীগ নেতা শফিকুল ১০ দিনের রিমান্ডে

কৃষক লীগ নেতা শফিকুল ১০ দিনের রিমান্ডে

জুয়ার আখড়া বন্ধে র‌্যাবের অভিযানে গ্রেপ্তার কলাবাগান ক্রীড়াচক্রের সভাপতি ও কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য শফিকুল ইসলাম ফিরোজের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদক আইনে দায়ের দুটি মামলায় ৫ দিন করে মোট ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। র‌্যাবের করা দুই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে শনিবার বিকালে ফিরোজকে ঢাকার আদালতে পাঠায় ধানমন্ডি থানা পুলিশ। অস্ত্র আইনের মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই নুরউদ্দিন এবং মাদক মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আশিকুর রহমান আসামি ফিরোজকে ১০ দিন করে ২০ দিন হেফাজতে চেয়ে আবেদন করেন।

জাতীয়

প্রথা ভেঙে বিয়ে: কনে বিয়ে করতে এল বরের বাড়িতে

প্রথা ভেঙে বিয়ে: কনে বিয়ে করতে এল বরের বাড়িতে

বর তার আত্মীয়-স্বজন নিয়ে কনের বাড়িতে গিয়ে বিয়ের কার্য সম্পাদন করে এটা বাংলাদেশে প্রচলিত নিয়ম। তবে এই প্রথা ভাঙলেন চুয়াডাঙ্গার খাদিজা আক্তার খুশি। কনে তার আত্মীয়-স্বজন নিয়ে শনিবার হাজির হন মেহেরপুরের গাংনী পৌরসভার চৌগাছা গ্রামে বরে বাড়িতে। কনে খাদিজা চুয়াডাঙ্গার হাজরাহাটি গ্রামের কামরুজ্জামানের মেয়ে। কুষ্টিয়া ইসলামিয়া কলেজে অনার্স পড়ছেন খাদিজা আর বর গাংনীর চৌগাছার কমরেড আব্দুল মাবুদের ছেলে তরিকুল ইসলাম জয় একজন ব্যবসায়ী।