• ঢাকা, বাংলাদেশ
  • বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২০, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭

নিজেদের অসহায়ত্ব নিয়ে ফেসবুকে যা জানালেন বুয়েট শিক্ষক

নিজেদের অসহায়ত্ব নিয়ে ফেসবুকে যা জানালেন বুয়েট শিক্ষক

নিজস্ব প্রতিবেদক১০ অক্টোবর ২০১৯, ০৩:৪৬পিএম, ঢাকা-বাংলাদেশ।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যার বিচার দাবিতে বুয়েট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আন্দোলন করছে শিক্ষার্থীরা। ছাত্র রাজনীতি বন্ধসহ ১০ দফা দাবি আদায়ে আন্দোলন করছেন বুয়েট শিক্ষার্থীরা। বর্তমানে আবরার হত্যার বিষয়টি দেশের সবচেয়ে আলোচিত বিষয়।

আবরার হত্যার পর বুয়েটে বিভিন্ন সময় শিক্ষার্থীদের ওপর চলা নির্যাতনের ঘটনা প্রকাশ পাচ্ছে। এসব নির্যাতনের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল শিক্ষকদের অবহিত করা হলেও অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়েছেন তারা।

বুয়েট ক্যাম্পাসে শিক্ষকরা কতটুকু অসহায় তা ফুটে উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষকের ফেসবুক স্ট্যাটাসে। বুধবার (৯ অক্টোবর) রাতে “ভুল বোঝার সময় নয়, সবাইকে জিততে হবে একসাথে" শিরোনামে নিজের ফেসবুকে স্ট্যাটাসটি দিয়েছেন বুয়েটের অ্যাকসিডেন্ট রিসার্চ ইন্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক কাজী সাইফুন নেওয়াজ

বাংলাদেশ টাইমস এর পাঠকদের জন্য তার ফেসবুক স্ট্যাটাসটি হুবুহু তুলে ধরা হল।

"ভুল বোঝার সময় নয়, সবাইকে জিততে হবে একসাথে"

আমার সুযোগ হয়েছে, আবরার হত্যার পর বুয়েটে ছাত্রদের আন্দোলন দেখার আবার একই সাথে শিক্ষক সমিতির মিটিং এ উপস্থিত থেকে সমস্যার অন্য প্রকৃতি বোঝার। আমি দেখেছি বুয়েটের শিক্ষার্থীদের জেদ, সহিষ্ণুতা আর একতায় কিভাবে সিসিটিভি পুরো ফুটেজ আদায় করল, বুয়েটের জমে থাকা ময়লা পরিষ্কার করার জন্য দুই দিন ধরে রাস্তায় বসে ছিল,…ঠিক একি ভাবে আমি দেখেছি, শিক্ষক সমিতির মিটিং এ কথা বলতে গিয়ে, কয়েকজন স্যারকে কাঁদতে, নিজেদের অসহায়ত্ব, সীমাবদ্ধতার মাঝেও চেষ্টা করার কথা এবং পরবর্তীতে নিজেদের দায়ী করে ছাত্রদের সামনে দাঁড়াতে…

আজ ছাত্ররা ছিল পরীক্ষক । … আজকের ঐ পরীক্ষায় কে পাশ করেছে বা কে ফেল করেছে, সে জায়গাতে আমার কিছু নিজস্ব মতামত আছে।… কারণ আমার মনে হয়, আমরা অনেক মাসুল দিয়ে আজ যে জায়গা থেকে ঘুরে দাঁড়াতে চাচ্ছি সেখানে কাউকে হারলে চলবে না,… আর এ জন্য শিক্ষার্থীদের মধ্যে থেকে কয়েকটি প্রশ্ন যা তাদের মধ্যে একটা যৌক্তিক চাপা ক্ষোভ সৃষ্টি করছে তার কিছু মতামত নিজের মত করে দিতে চাই।.

১) শিক্ষার্থীদের একটা প্রশ্ন “ হলের এই সমস্যা গুলা প্রভোস্ট স্যার দের জানানো হলেও কোন ব্যবস্থা নেয় নাই কেন ?…… ইত্যাদি”

আজ শিক্ষক সমিতির মিটিং এ অনেক প্রভোস্ট, সহকারী প্রভোস্ট স্যাররা বলেছেন তাদের প্রশাসনিক অসহায়ত্বের কথা। তারা ছাত্রদের কাছ থেকে অভিযোগ পান, সেটা নিয়ে নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবার ক্ষমতা তাদের কম ( আমি নিজেও আজ জানলাম) । যিনি ব্যবস্থা নিতে পারেন (ভিসি স্যার) এর কাছে তাদের বার বার গিয়ে সময় না পেয়ে ফিরে আসা, বা কোন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেবার কথা বলে রিপোর্ট দেবার পর ও সেই অনুযায়ী যার ব্যবস্থা নেবার কথা তিনি যখন কোন ব্যবস্থা নেন না, তখন ঐ প্রভোস্ট স্যারদের কি করার থাকে ?… আজ আরেক ভয়ানক কথা শুনলাম, এক ছাত্রলীগের কর্মীর বিরুদ্ধে নাকি অভিযোগ ছিল,… ভিসি স্যার নাকি ঐ হলে গিয়ে ঐ ছেলেকে দেখে (হাফপ্যান্ট পরা সিগারেট হাতে) আগ বাড়ীয়ে হ্যান্ডসেক করে আসে… তাহলে কিভাবে সামান্য এক প্রভোস্ট স্যার কোন ব্যবস্থা নিবেন… আরও অনেক কথা প্রভোস্ট স্যাররা বলেছেন, অনেক সময়, আগের DSW স্যার কে জানিয়েও কোন সুফল পান নাই। আজ জানলাম কিভাবে সব কিছুতে ছাত্রলীগের (হল/ বুয়েট শাখা) প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা থাকে, তারা চেষ্টা করেছেন কিন্তু অনেক কিছু ঐ একজনের কাছে গিয়ে আর আলোর মুখ দেখেনি… আমাদের মধ্যেও প্রশ্ন ছিল, তাহলে তারা কেন আগেই পদত্যাগ করেন নি ? , পরে পুরো ব্যাপার শুনে আমরা বুঝলাম তাদের পদত্যাগটাই সমাধান না, যে আসবে সেও একি পরিস্থিতিতে পড়বে… কারণ প্রভোস্টরা সমস্যা শুনে, রিপোর্ট দিতে পারে, উপরে জানাতে পারে, অথচ, যারা সমস্যার কারণ তাদের সাথে উপর ওয়ালার নাকি সরাসরি কানেকশন, কোন রিপোর্ট লাগে না… সেখানে স্যাররা অনেক কিছু চাইলেও পারেনা , আর না পারতে পারতে হয়ত আর চাইতেও যায় না। উল্লেখ্য, হলের যে সিসিটিভি ফুটেজ নিয়ে আজ আমরা প্রমাণ করতে পারছি অনেক কিছু, সেই সিসিটিভি ফুটেজ, হল অফিসের বাইরে থেকে বন্ধ দরজার ভিতরে দুই জন শিক্ষক (সহকারী প্রভোস্ট, নাম মনে আসছে না) জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আগলে বসে ছিল। কারণ সাধারণ শিক্ষার্থীদের সাথে মিশে যারা খুন করেছে তাদের লোক যেন নষ্ট করতে না পারে। অথচ গুজব ছড়াল যে, ফুটেজ নষ্ট করা হচ্ছে। …

২) শিক্ষার্থীদের একটা প্রশ্ন “ বর্তমান DSW ( মিজানুর রহমান ) স্যার এ ধরনের ঘটনায় ব্যর্থ কিনা ? বা একটা ছবিতে (যেটা সিসিটিভি ফুটেজ থেকে নেয়া) যেখানে ঘটনার দিন রাত প্রায় ৩.৩০ নাগাদ স্যারকে প্রভোস্ট, খুনিদের কয়েকজন ও ডক্টরসহ দেখা যাচ্ছে সেখানে কি হচ্ছিল? ( কারো কারো মতে তিনি কি খুনিদের সাহায্য করছিলেন কি না?)

বর্তমান DSW ( মিজানুর রহমান ) স্যার এ ঘটনায় ব্যর্থ কিনা সে বিষয়ে বলব, স্যার এ দায়িত্ব পেয়েছেন মাত্র তিন মাসের কিছু বেশী। বুয়েট কিন্তু এই তিন মাসে এমন ভয়াবহ হয় নি। এটা অনেক দিনের (পূর্বে যারা এই পদে ছিলেন) অবহেলার, দেখে না দেখার বা সমস্যা যিনি সমাধান করবেন সেই ভিসি স্যার এর অসহযোগিতার ফল । আজ জানলাম DSW এর ক্ষমতা কি ? তিনি শুধু ছোট খাটো বিষয়ে তদন্ত বা রিপোর্ট করতে পারেন বা ব্যবস্থা নিতে পারেন। তিনি বেশ কিছু উদাহরণ দিয়েছেন যা তিনি করেছেন। এর বেশী কিছু করতে হলে সেটা পারেন ভিসি স্যার। ছাত্রদের এমন একটি বিষয় তিনি প্রায় একমাস আগে ভিসি অফিসে পাঠিয়েছেন তদন্ত কমিটি গঠনের জন্য যা আজও হয়নি…… অর্থাৎ আমরা সবাই ঐ এক জায়গায় বন্ধি। আজ মিটিং এ DSW স্যার এটাও বলেছেন “ আবরার হত্যার ঘটনার সমাধান করার পর যদি বর্তমান ভিসি স্যার থাকেন তাহলে তিনি নিজে পদত্যাগ করবেন” … কতটা অসহযোগিতা পেলে মানুষ এমন করে বলে। তিনি এটাও বলেছেন যে এখন পদত্যাগ করতে চান না কারণ, এখন যদি পদত্যাগ করে তাহলে তিনি নিজেকে ক্ষমা করতে পারবেন না, তিনি চান তার সময়ে এই হত্যাকাণ্ডের বিচার দেখে যেতে , দ্বিতীয়ত এটা তদন্ত কাজেও সমস্যা করবে…। আমার কাছে বিষয়টি ভালো লেগেছে।

এবার আসি, কেউ কেউ সিসি টিভি ফুটেজে DSW ( মিজানুর রহমান ) স্যার , ডাক্তার, প্রভোস্টসহ অন্যদের সাথে খুনিদের কয়েকজনকে দেখিয়ে বলতে চাচ্ছে যে, তিনি খুনিদের সহযোগিতা করছেন। আমি মনে করি তারা ঠাণ্ডা মাথায় চিন্তা করছেন না বিষয়টা। DSW স্যারকে যখন রাত ৩.১৫ মিনিটের দিকে হলের প্রভোস্ট ও সহকারী প্রভোস্ট বাসায় এসে খবর দিল, তখনি তিনি তাদের সাথে নিয়ে চলে আসেন… তিনি যদি দেরি করতেন আমরা বলতে পারতাম দায়িত্বহীনটার পরিচয় দিয়েছেন, কিন্তু সেটা হয় নি। এখন হলে এসে তিনি কিভাবে জানবেন কে খুন করছে ? খুনি নিশ্চয়ই বলবে না বা গার্ড ত দেখেনি … এখন আমরা জানি কারণ আমাদের কাছে ফুটেজ আছে, কিন্তু তখন ঐখানে যারা ছিল সবার সাথে কথা বলা মানে তো খুনিদের সহায়তা করা না… । দ্বিতীয়ত শুনলাম স্যার পুলিশ আসা পর্যন্ত ছিলেন এবং সকাল ১১.০০ টা নাগাদ ছিলেন। ওখানে খুনি (পরে জানা গেছে) কারো সাথে স্যার এর কোন কথা হয়েছে কিনা বা কি কথা হয়েছিল সেটা আমরা জানি না।… ধরেন যদি কেউ বলেও থাকে যে সে এভাবে পিটায় ছেলেটাকে মেরেছে, তখন আমরা হলে কি করতাম, পুলিশকে খবর দিতাম, যেটা ঐ সময় হল থেকে করা হয়েছে। পাশাপাশি পুলিশ আসা পর্যন্ত, যারা উপস্থিত তাদের থেকে যতটা সম্ভব তথ্য সংগ্রহ করাও একটা গুরুত্বপূর্ণ কাজ। স্যার বলেছেন যে, তিনি ও সহকারী প্রভোস্ট স্যার সেটাই করছিলেন। বরং আমি মনে করি রাত তিনটায় ঘুম থেকে উঠে এসে মাত্র তিন মাসের দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতায় তিনি যে নিষ্ঠুরতা দেখেও মাথা ঠাণ্ডা রেখেছেন, সেটা ঐ সময়ে দরকার ছিল। তাই আমার মনে হয় আমরা নিজেদের বিচক্ষণতার পরিচয় দেই। কারণ এ ঘটনায় কেউ কেউ নিজের স্বার্থেও ব্যবহার করতে পারে। তিনি যদি আজ খুনিদের পক্ষে বলতেন তখন আমরা তাকে দোষ দিতে পারতাম, খুনিকে জানার পর তিনি তো তাদের পক্ষে কোন কথা বলেন নি… আমরা কেন ভুল ভাবে তাকে উপস্থাপন করব ?

মূলত DSW ( মিজানুর রহমান ) স্যারকে আমি চিনি দীর্ঘদিন। কারো সাথে রেগে কথা বলতে দেখি নাই, আমার মনে হয় অন্য কেউও দেখে নাই। এবং স্যার এর কাছে সবাই অ্যাক্সেস পায়। তার উপর উনার বর্তমান পদটিই হল “ ছাত্র কল্যাণ পরিচালক”, অর্থাৎ ছাত্রদের নিয়েই সব কাজ, সে যেই দলের হোক বা যেই হোক। সেই জায়গা থেকে তিনি অনেক ছাত্রকে অন্য সবার চাইতে বেশি চিনবেন বা ছাত্ররা তার কাছে বেশি চাইবে এটাই স্বাভাবিক। সেই হিসাবে যে/যারা খুন করেছে ( ফুটেজ দেখে পরে প্রমাণিত) তারা স্যারের পরিচিত হতে পারে, তার সাথে ঐ সময় সেই রাতে স্যার কথাও বলতে পারে, তার মানে তো এই না যে, তিনি আগে থেকেই সব জানেন আর তাদের কোনভাবে সাহায্য করেছেন… তাছাড়া সেখানে একজন ডাক্তার, প্রভোস্ট, সহকারী প্রভোস্ট, দারোয়ানসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিল। একটু বোঝার চেষ্টা করি।

৩) শিক্ষার্থীদের একটা প্রশ্ন “ আমরা (শিক্ষকরা) কেন এতদিন প্রতিকার করি নি, আমরা কি ভয় পেয়েছিলাম”?
হলে আবাসিক ছিলাম না, আর পাশ করার পর আজ ১২ বছর হলে যাওয়া হয় নাই… গত কয়েক বছর হলের অবস্থা ভালো না, বা রাজনৈতিক বিষয়গুলা, হিংসা প্রবল সেটা মোটামুটি কিছুটা জানতাম। তবে আজ এর ভয়াবহতা কত সেটা জানলাম যখন প্রভোস্ট স্যাররা মিটিং এ বিভিন্ন ঘটনা বললেন তখন। এবং জানলাম ছাত্রলীগ ( বুয়েট) কিভাবে সব কিছুতে তাদের প্রভাব বিস্তার করতে চাইত। এবং শুনলাম প্রভোস্ট স্যার বা DSW স্যারদের কিছু চেষ্টার কথা। পাশাপাশি এটাও জানলাম কেন এই চেষ্টা দীর্ঘমেয়াদি ফল পায় না। কারণ, যিনি বা যার কাছে কার্যকর ব্যবস্থা নেবার ক্ষমতা আছে তিনি বুয়েট এর স্যারদের সময় দেন বা না দেন, ছাত্রলীগের জন্য সব সময় উন্মুক্ত। আসলে হয়ত স্যাররা ভয় পায়, বা হয়তবা বার বার বিফল হয়ে চেষ্টা করার আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছে… তারা এখন শুধু অর্পিত দায়িত্ব পালন করে যান, ঝামেলা চান না… কারণ ঝামেলায় পরলে যিনি রক্ষা করবেন সেই ভিসি স্যারকে পাওয়া যাবে না…। যেমন আবরার পায়নি তার মৃত্যুর পরেও …

তবে, আজ একটা বিষয় মনে হচ্ছে, সবার মধ্যে থেকে ভয়টা চলে গেছে… আজ আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, বুয়েটে ছাত্র, শিক্ষক রাজনীতি বন্ধ করার…স্যাররা সবাই এ পরিস্থিতির দায়িত্ব মাথা পেতে নিয়েছেন... এ বিষয়ে সরকারেরও সহযোগিতা চেয়েছি… আর ছাত্র রাজনীতির অনেক ভালো উদাহরণ আমাদের আছে, কিন্তু আমরা এখন সেটা থেকে অনেক দূরে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বর্তমানে যে শুদ্ধাচার শুরু করেছেন সেটা আমাদের জন্য একটা উদাহরণ। এছাড়াও আরও কিছু সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে…

৪) শিক্ষার্থীদের একটা প্রশ্ন “ এতক্ষণ ধরে আবরারকে মারল, বা সিসিটিভিতে দেখা গেল তারপরও কেন কেউ / স্যাররা আসলো না”

আসলে আমার মনে হয়, স্যাররা জানবে কিভাবে, কেউত তখন তাদের জানায় নাই। সিসিটিভিতে আবরারকে মেরে নিয়ে যাবার ঘটনা তিনবার আসছে এবং খুব অল্প সময়ের জন্য। গার্ড হয়ত ঐ সময় স্ক্রিন এর দিকে তাকায় নাই তাছাড়া তখন বাজে রাত ১ টার বেশী… কেউ যদি না দেখে বা না জানায় , এমন কি আবরারকে যখন মারা হয় তখন তার চিৎকার শুনেও তো কেউ প্রভোস্টদের জানায় নাই… যদি কেউ জানাত আর যদি কেউ না আসত তাহলে বলতে পারতাম… আজত DSW ( মিজানুর রহমান ) স্যার বলছেন যে, তিনি যদি একবার জানতেন বা কেউ যদি তাকে আগে একবার জানাত তিন সেই রুম পর্যন্ত অবশ্যই যেতেন। সবাই ত জানল শেষে…

আমরা চাই, অনেক কষ্ট পেয়ে যে আবরার চলে গেছে, আজ থেকে অনেক বছর পর আমরা যেন বলতে পারি সেই আবরার আমাদের দিয়েছে একটা সুন্দর, স্বপ্নের বুয়েট, যা ছিল আমাদের গর্ব।

… লেখাটি কাউকে ব্যক্তিগত ভাবে আক্রমণ বা পছন্দ বা অপছন্দ করে নয়… আজ যা জানলাম তা নিজের মত করে বলা। যতটুকু জানি, বুঝেছি ততটুকুই। আমি এই প্রশ্নের উত্তর দেবার কেউ না, তবুও নিজের মতামত দিলাম যাতে আমরা ভুল বোঝার কারণে মূল সমস্যা থেকে সরে যাই। আমরা যে খুনি তাকে খুনি বলব, অযথা যেন কারো উপর অবিচার না করি… কারণ সীমাবদ্ধতা সবারই আছে…

ধন্যবাদ বুয়েটের ছাত্র-ছাত্রীদের। তারা প্রথমে শুনেছে এরপর সুশৃঙ্খল ভাবে প্রশ্ন করেছে, স্যাররা যতটুকু পেরেছে বলেছে… যে সুন্দর বুয়েটের দিকে অনেক দাম দিয়ে অনেক পরে আমরা যাত্রা করছি, সে পরীক্ষায় সবাইকে জিততে হবে একসাথে।”

 


টাইমস/এইচইউ

বিএসএমএমইউ-এ পরীক্ষাতেও জাফরুল্লাহ’র করোনা পজিটিভ

বিএসএমএমইউ-এ পরীক্ষাতেও জাফরুল্লাহ’র করোনা পজিটিভ

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের উদ্ভাবিত কিট দিয়ে পরীক্ষার পর এবার বঙ্গবন্ধু শেখ

প্রাইভেটকারে বান্ধবীকে ঘুরতে নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র নিহত

প্রাইভেটকারে বান্ধবীকে ঘুরতে নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র নিহত

বান্ধবীকে নিয়ে প্রাইভেটকারে ঘুরতে বেরিয়েছিলেন নর্থসাউথ ইউনিভার্সিটির ছাত্র অমি। গাজীপুরের-আজমতপুর-ইটাখোলা

রোববার থেকে স্বাভাবিক ব্যাংকিং লেনদেন

রোববার থেকে স্বাভাবিক ব্যাংকিং লেনদেন

আগামী ৩১ মে থেকে ব্যাংকগুলোতে স্বাভাবিক লেনদেন হবে। আগের মতোই

জাতীয়

করোনা সন্দেহে হাসপাতালে গিয়ে আগুনে পুড়ল সংসারের হাসি!

করোনা সন্দেহে হাসপাতালে গিয়ে আগুনে পুড়ল সংসারের হাসি!

রিয়াজুল আলম লিটন গুলশানের একটি বায়িং হাউজের কান্ট্রি ডিরেক্টর হিসেবে কাজ করতেন। জ্বর জ্বর ভাব হওয়ায় করোনা সন্দেহে সহকর্মীরা তাকে

জাতীয়

করোনা: একদিনে আক্রান্ত ছাড়াল দুই হাজার, ১৫ জনের মৃত্যু

করোনা: একদিনে আক্রান্ত ছাড়াল দুই হাজার, ১৫ জনের মৃত্যু

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত আরও ২ হাজার ২৯ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। এটিই এখন পর্যন্ত দেশে এক দিনে সর্বোচ্চ শনাক্ত। এ নিয়ে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে ৪০ হাজার ৩২১ জনে দাঁড়াল। একই সময়ে মারা গেছেন আরও ১৫ জন। এখন পর্যন্ত মারা গেছেন ৫৫৯ জন।

জাতীয়

শর্ত সাপেক্ষে ৩১ মে থেকে চলবে বাস-ট্রেন-লঞ্চ

শর্ত সাপেক্ষে ৩১ মে থেকে চলবে বাস-ট্রেন-লঞ্চ

করোনাভাইরাসের কারণে দুই মাস ধরে চলা লকডাউন আর না বাড়ানোর সিদ্ধান্ত আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছে সরকার। আগামী ৩১ মে থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত শর্ত সাপেক্ষে সীমিতভাবে গণপরিবহন, যাত্রীবাহী নৌযান ও রেল চলাচল করতে পারবে। একই তারিখ থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিতভাবে সব সরকারি-বেসরকারি অফিস খোলা থাকবে। এছাড়া এই সময় বিমান কর্তৃপক্ষ নিজ ব্যবস্থাপনায় বিমান চলাচলের বিষয়টি বিবেচনা করবে।

জাতীয়

করোনায় ফরিদপুরে আরও একজনের মৃত্যু

করোনায় ফরিদপুরে আরও একজনের মৃত্যু

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ৫০ বছর বয়সী এক ব্যক্তি মারা গেছেন। বৃহস্পতিবার দুপুর একটার দিকে উপজেলার রূপাপাত ইউনিয়নের সুর্যোগ গ্রামের নিজ বাড়িতে তার মৃত্যু হয়।

খেলাধুলা

রহস্য উন্মোচন, ২ কোটি টাকা বাঁচাতে অবসর নেননি মাশরাফি!

রহস্য উন্মোচন, ২ কোটি টাকা বাঁচাতে অবসর নেননি মাশরাফি!

দেশের ক্রিকেট লিজেন্ড মাশরাফি বিন মর্তুজা বোর্ডের ২ কোটি টাকা বাঁচাতে অবসরের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছিলেন।

জাতীয়

স্বপরিবারে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রের করোনা জয়ের গল্প

স্বপরিবারে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রের করোনা জয়ের গল্প

স্বপরিবারে করোনাভাইরাস থেকে মুক্ত হয়েছেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের ছাত্র