বঙ্গবন্ধুর ‘জুলিও কুরি’ পদক প্রাপ্তির ৪৭ বছর
আজ ২৩ মে। ১৯৭৩ সালের এই দিনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘জুলিও কুরি’ শান্তি পদকে ভূষিত করেছিল বিশ্ব শান্তি পরিষদ। আজ সেই পদক প্রাপ্তির ৪৭ বছর। গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও শান্তি আন্দোলনে অবদান রাখায় পরিষদ বঙ্গবন্ধুকে এ পুরস্কার দেয়া হয়েছিল।
আজ ২৩ মে। ১৯৭৩ সালের এই দিনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘জুলিও কুরি’ শান্তি পদকে ভূষিত করেছিল বিশ্ব শান্তি পরিষদ। আজ সেই পদক প্রাপ্তির ৪৭ বছর। গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও শান্তি আন্দোলনে অবদান রাখায় পরিষদ বঙ্গবন্ধুকে এ পুরস্কার দেয়া হয়েছিল।
বিশ্ববিখ্যাত বিজ্ঞানী মেরি কুরি ও পিয়েরে কুরি দম্পতি বিশ্ব শান্তির সংগ্রামে যে অবদান রেখেছেন, তা চিরস্মরণীয় করে রাখার লক্ষ্যে বিশ্ব শান্তি পরিষদ ১৯৫০ সাল থেকে ফ্যাসিবাদবিরোধী, সাম্রাজ্যবাদবিরোধী সংগ্রামে, মানবতার কল্যাণে, শান্তির স্বপক্ষে বিশেষ অবদানের জন্য বরণীয় ব্যক্তি ও সংগঠনকে ‘জুলিও কুরি’ শান্তি পদকে ভূষিত করে আসছে।
ফিদেল ক্যাস্ট্রো, হো চি মিন, ইয়াসির আরাফাত, সালভেদর আলেন্দে, নেলসন ম্যান্ডেলা, ইন্দিরা গান্ধী, মাদার তেরেসা, কবি ও রাজনীতিবিদ পাবলো নেরুদা, জওহরলাল নেহেরু, মার্টিন লুথার কিং এবং লিওনিদ ব্রেজনেভের মতো বিশ্বনেতাদের এই পদকে ভূষিত করা হয়।
বিশ্ব শান্তি পরিষদের শান্তি পদক ছিল জাতির পিতার কর্মের স্বীকৃতিস্বরূপ বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় তার অবদানের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। এটি ছিল বাংলাদেশের জন্য প্রথম আন্তর্জাতিক সম্মান। এ মহান অর্জনের ফলে জাতির পিতা পরিণত হয়েছেন বঙ্গবন্ধু থেকে বিশ্ববন্ধুতে।
এ সম্মান পাওয়ার পর বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, “এ সম্মান কোনো ব্যক্তিবিশেষের জন্য নয়। এ সম্মান বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে আত্মদানকারী শহীদদের, স্বাধীনতা সংগ্রামের বীরসেনানীদের। জুলিও কুরি শান্তি পদক সমগ্র বাঙালি জাতির।”
টাইমস/জিএস