© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

পাহাড়ি ঢলে সিলেট-সুনামগঞ্জে আকস্মিক বন্যা, পানিবন্দি লক্ষাধিক মানুষ

শেয়ার করুন:
পাহাড়ি ঢলে সিলেট-সুনামগঞ্জে আকস্মিক বন্যা, পানিবন্দি লক্ষাধিক মানুষ
own-reporter-sylhet
০২:৩৭ পিএম | ২৭ জুন, ২০২০

প্রবল বৃষ্টিপাত ও ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে নদনদীর পানি বেড়ে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সুনামগঞ্জ ও সিলেট জেলায় বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। ফলে দুই জেলার নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বিস্তীর্ণ অঞ্চল প্লাবিত হয়ে পানিবন্দি হয়েছেন লক্ষাধিক মানুষ।

প্রবল বৃষ্টিপাত ও ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে নদনদীর পানি বেড়ে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সুনামগঞ্জ ও সিলেট জেলায় বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। ফলে দুই জেলার নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বিস্তীর্ণ অঞ্চল প্লাবিত হয়ে পানিবন্দি হয়েছেন লক্ষাধিক মানুষ।

পাহাড়ি ঢলে সিলেটের গোয়াইনঘাট ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এছাড়াও জকিগঞ্জ ও কানাইঘাট উপজেলায় নদীর পানি বেড়ে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সিলেটের নির্বাহী প্রকৌশলী মুহাম্মদ শহীদুজ্জামান সরকার বলেন, সুরমা নদীর পানি কানাইঘাট উপজেলায় বিপৎসীমার ৪০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে, অমলসিদে এখনো ৮২ সেন্টিমিটার নিচে রয়েছে। এ ছাড়াও, সারিঘাট পয়েন্টে সারি নদীর পানি বিপৎসীমার ৪৫ সেন্টিমিটার নিচে রয়েছে।

তিনি বলেন, পাহাড়ি ঢলে প্লাবিত হয়েছে গোয়াইনঘাট ও কোম্পানীগঞ্জের নিম্নাঞ্চল। কিছু জায়গায় পানি দ্রুত বাড়ছে আবার কিছু অঞ্চলে পানি কমছে। বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে দীর্ঘস্থায়ী বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে।

এদিকে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সুনামগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সবিবুর রহমান জানিয়েছেন, সুনামগঞ্জে সুরমা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে এবং শনিবার সকাল ৯টায় সুরমা নদীর পানি সুনামগঞ্জ শহর পয়েন্টে বিপৎসীমার ৪৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল।

তিনি বলেন, সুরমা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে শহরের কাজিরপয়েন্ট, রিভারভিউ, উকিলপাড়া এলাকা প্লাবিত হয়েছে। দোয়ারাবাজার উপজেলায় প্রবল স্রোতে সুরমা নদীর পাড়ে ভাঙনও দেখা দিয়েছে।

এদিকে সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ ও গোয়াইনঘাটে লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।

গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাজমুস সাকিব জানান, উপজেলার পানিবন্দি ৫০ হাজার মানুষকে আশ্রয় দিতে একটি সরকারি আশ্রয়কেন্দ্র ছাড়াও ৬০টি স্কুলকে আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, পানিবন্দি মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে নেওয়াসহ সব ধরনের সহযোগিতা দেওয়ার প্রস্তুতি রয়েছে। তবে, করোনাভাইরাসজনিত সংক্রমণ বৃদ্ধির বিষয়টা বিবেচনায় নিয়ে কাজ করতে হচ্ছে।

অন্যদিকে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় ৩৫টি স্কুলকে অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।

 

টাইমস/এইচইউ

মন্তব্য করুন