© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

শাশুড়িকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করল পুলিশ কনস্টেবল

শেয়ার করুন:
শাশুড়িকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করল পুলিশ কনস্টেবল
country-desk
১১:২০ এএম | ০৮ জুন, ২০১৯

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার মাদ্রাসাপাড়ায় এক পুলিশ কনস্টেবলের বিরুদ্ধে শাশুড়িকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার রাত ২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহতের নাম শেফালী অধিকারী (৪৮)। এ ঘটনায় ওই পুলিশ কনস্টেবলের স্ত্রী ফাল্গুনি অধিকারী, শ্যালক আনন্দ অধিকারী ও শ্বশুর সদানন্দ অধিকারী জখম হয়েছেন বলেও জানা গেছে।

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার মাদ্রাসাপাড়ায় এক পুলিশ কনস্টেবলের বিরুদ্ধে শাশুড়িকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার রাত ২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহতের নাম শেফালী অধিকারী (৪৮)।

এ ঘটনায় ওই পুলিশ কনস্টেবলের স্ত্রী ফাল্গুনি অধিকারী, শ্যালক আনন্দ অধিকারী ও শ্বশুর সদানন্দ অধিকারী জখম হয়েছেন বলেও জানা গেছে। এলাকাবাসী আহতদের উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেছে।

ঘটনার পর থেকে পলাতক আছেন অভিযুক্ত কনস্টেবল অসীম কুমার ভট্টাচার্য। তিনি চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশের সিআইডি বিভাগে কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত।

স্থানীয়রা জানান, সিআইডির কনস্টেবল অসীম ও ফাল্গুনি দম্পতি আলমডাঙ্গা কলেজপাড়ার ভাড়াবাড়িতে বসবাস করে আসছিলেন। পারিবারিক কলহের কারণে শুক্রবার রাতে স্ত্রী ফাল্গুনি পাশের মহল্লা মাদরাসাপাড়ার বাবার বাড়িতে অবস্থান নেন। গভীর রাতে অসীম শ্বশুর বাড়ি গিয়ে স্ত্রীকে ডাকাডাকি করলে ফাল্গুনি দরজা খুলে দেন।

এসময় অসীম অতর্কিতে ফাল্গুনি অধিকারীকে ছুরিকাঘাত করেন। তার চিৎকারে শ্বশুর, শাশুড়ি ও শ্যালক ছুটে আসেন। এসময় তিনি তাদেরও ছুরিকাঘাত করেন। এতে শাশুড়ি শেফালী অধিকারী ঘটনাস্থলেই মারা যান। ঘটনার পরই জামাতা অসীম কুমার ভট্টাচার্য ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। খবর পেয়ে পুলিশ রাতেই লাশ উদ্ধার করে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রশাসন কানাই লাল সরকার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কলিমুল্লাহ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

 

টাইমস/জিএস

মন্তব্য করুন