© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

‘বাংলাদেশ ব্যাংক এমপ্লয়িজ রিকগনিশন এওয়ার্ড’ পাচ্ছেন জ্যোতিষ রঞ্জন

শেয়ার করুন:
‘বাংলাদেশ ব্যাংক এমপ্লয়িজ রিকগনিশন এওয়ার্ড’ পাচ্ছেন জ্যোতিষ রঞ্জন
own-reporter
১১:৪৬ এএম | ১০ জুন, ২০১৯

উত্তম কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ ‘বাংলাদেশ ব্যাংক এমপ্লয়িজ রিকগনিশন এওয়ার্ড-২০১৭ এর জন্য মনোনিত হয়েছেন সিলেটের জ্যোতিষ রঞ্জন দাস। তিনি কেন্দীয় ব্যাংকের সিলেট শাখায় উপ-পরিচালক হিসেবে কর্মরত আছেন। সম্প্রতি এক চিঠিতে এওয়ার্ড প্রাপ্তির বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। তিনি ব্যাংকটির সর্বোচ্চ মানের পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন।

উত্তম কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ ‘বাংলাদেশ ব্যাংক এমপ্লয়িজ রিকগনিশন এওয়ার্ড-২০১৭ এর জন্য মনোনিত হয়েছেন সিলেটের জ্যোতিষ রঞ্জন দাস। তিনি কেন্দীয় ব্যাংকের সিলেট শাখায় উপপরিচালক হিসেবে কর্মরত আছেন।

সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে পাঠানো এক চিঠিতে এওয়ার্ড প্রাপ্তির বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। তিনি ব্যাংকটির সর্বোচ্চ মানের পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন।

আগামী ২০ জুন বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের জাহাঙ্গীর আলম কনফারেন্স হলে এক অনুষ্ঠানে তার হাতে পুরস্কার তুলে দিবেন গভর্নর ফজলে কবির।

জ্যোতিষ রঞ্জন দাস এর আগে ব্যাংকটির সহকারী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার বাড়ি সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলায়। তিনি শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইনান্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী। 

তিনি ছাড়াও ব্যাংকটির সর্বোচ্চ মানের পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন আরও তিনজন। এছাড়া দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মানের পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছে চারটি দল।

জ্যোতিষ রঞ্জন দাস ছাড়া সর্বোচ্চ মানের পুরস্কারের জন্য মনোনীত বাকি তিনজন হলেন-উপপরিচালক মো. আশরাফুল ইসলাম, যুগ্মপরিচালক মো. আব্দুল মান্নান, উপমহাব্যবস্থাপক মো. সরোয়ার হোসেন। 

এছাড়া দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মানের পুরস্কারের জন্য মনোনীত চারটি দল হল-

প্রথম দল- সিস্টেমস  এ্যানালিস্ট হাসান আল মামুন, প্রোগ্রামার মোহাম্মদ আহদাবুল ইসলাম।

দ্বিতীয় দল- যুগ্মপরিচালক জেবুননেছা করিমা, উপপরিচালক মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, উপপরিচালক সিরাজুম মুনীরা ও উপপরিচালক মোহাম্মদ ইকবাল।

তৃতীয় দল- যুগ্মপরিচালক দেবাশীষ রক্ষিত, উপপরিচালক মেহেদী হাসান।

চতুর্থ দল- যুগ্মপরিচালক একেএম নুরুন্নবী, যুগ্মপরিচালক মোহাম্মদ শফিকুল ইমদাদ ও উপপরিচালক মো. আজমল হোসেন।

 

টাইমস/এইচইউ

মন্তব্য করুন