পথিকৃৎ
রামচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়: এক দু:সাহসিক মানুষের গল্প
সময়টা ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষ দিকের। গ্রীষ্মের এক বিকেলে কলকাতার নারকেলডাঙা মাঠে প্রায় ৮ হাজার মানুষের জমায়েত। সবার মুখে চাপা উত্তেজনার ছাপ। আর দৃষ্টি মাঠের মাঝখানে রাখা এক বিশাল ফানুসের ওপর। তখন ফানুসটিতে গ্যাস ভরা হচ্ছে। ফানুসের নিচের দিকে রয়েছে একটা ইস্পাতের আংটা। সেই আংটা থেকে ১২ ফুট নিচে ঝুলছে বৃহৎএক ঝুড়ি। এই ঝুড়িতে চেপেই নাকি এক বাঙালি আকাশে উড়বে। ফানুসে গ্যাস ভরা শেষে আংটায় ঝুড়ি ঝুলানো হলো। এরই মধ্যে সাদা রঙের জ্যাকেট আর বেগুনি ট্রাউজার পরা অবস্থায় গলায় দূরবীন ঝুলিয়ে পুরাদস্তুর সাহেবি মেজাজে দর্শকদের মাঝে হাজির হলেন আকাঙ্ক্ষিত সেই বাঙালি।
ইবনে খালদুন: একজন বিখ্যাত দার্শনিকের গল্প
ইবনে খালদুন। মুসলিম বিশ্বের শ্রেষ্ঠ দার্শনিকদের অন্যতম একজন। মধ্য যুগে যেসব মুসলিম মনীষী জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চায় অসামান্য অবদান রেখেছিলেন তাদেরই একজন ইবনে খালদুন। তিনি একাধারে একজন ইতিহাসবিদ, অর্থনীতিবিদ, সমাজবিজ্ঞানী ও দার্শনিক। অনেকেই তাকে আধুনিক সমাজবিজ্ঞান, ইতিহাস ও অর্থনীতির জনকদের অন্যতম একজন হিসেবে বিবেচনা করে থাকেন। বিশ্বে যে ক’জন মুসলিম মনীষী বিজ্ঞান, দর্শন, চিকিৎসা, শিল্প, সাহিত্য, ইতিহাস প্রভৃতি বিষয়ে অসামান্য অবদানের জন্যে অমর হয়ে আছেন, ব্যক্তি স্বার্থে যারা কখনো অন্যায়ের কাছে মাথা নত করেন নি, জ্ঞান পিপাসা মেটাতে যারা দেশ থেকে দেশান্তরে ঘুরে বেড়িয়েছেন, যারা আজীবন মানুষের কল্যাণে কাজ করে গেছেন বছরের পর বছর; তাদেরই একজন ‘ইবনে খালদুন’।
শচীন টেন্ডুলকার: ভারতরত্ন খেতাবপ্রাপ্ত ক্রিকেটার
বার্ট্রান্ড রাসেল: যুদ্ধবিরোধী শান্তিবাদী দার্শনিক
ভলতেয়ার: বিখ্যাত মানবতাবাদী দার্শনিক
এলিনর রুজভেল্ট: সার্বজনীন মানবাধিকারের রূপকার
অমর্ত্য সেন: দরিদ্র ও ক্ষুধার্ত মানুষের বন্ধু
অরুন্ধতী রায়: এক মানবতাবাদী ঔপন্যাসিক
জগদীশ চন্দ্র বসু: বাংলার আইনস্টাইন
হাজী শরীয়তুল্লাহ : সমাজ সংস্কারক ও সংগঠক
সত্যজিৎ রায়: অস্কারজয়ী প্রথম বাঙালি
টিপু সুলতান: ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের পথিকৃৎ
আজিজুল হক: আঙ্গুলের ছাপ উদ্ভাবনকারী বাঙালি