চলতি মাসেই পেঁয়াজ রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেবে ভারত: বাণিজ্যমন্ত্রী
ছবি সংগৃহীত
চলতি মাসের শেষ দিকে ভারত পেঁয়াজ রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে পারে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। সোমবার সচিবালয়ে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
চলতি মাসের শেষ দিকে ভারত পেঁয়াজ রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে পারে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।
সোমবার সচিবালয়ে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
টিপু মুনশি বলেন, পেঁয়াজের দামটা আরও কিছুদিন থাকতে পারে। আশা করছি, এ মাসের শেষে ভারত বাংলাদেশে পেঁয়াজ রপ্তানিতে যে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল সেটা তুলে নেবে। ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রীর সঙ্গে আমার কথা হয়েছে, আশা করা যায় চলতি মাসের শেষে তারা নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করবে।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, মিয়ানমার একটা সাধারণ উৎসবের কারণে পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ রেখেছিল। ফলে সাপ্লাই বন্ধ ছিল, বর্তমানে সেটা মিটে গেছে। তারপরও অন্য দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানির প্রক্রিয়া চলছে। আমরা পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছি। আমি অবশ্য দেশে ছিলাম না। আমাদের সচিব পেঁয়াজ আমদানিকারদের সঙ্গে ইতোমধ্যে বৈঠক করেছেন। বড় কিছু আমদানিকারক যেমন সিটি গ্রুপের সঙ্গে কথা হয়েছে। এ ধরনের বড় ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে পেঁয়াজ আমদানির প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।
রোহিঙ্গাসহ বিভিন্ন ইস্যুতে মিয়ানমারের সঙ্গে আমাদের একটা স্নায়ুবিক অবস্থান তৈরি হয়েছিল, সেখানে কৃষিপণ্যের জন্য তাদের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে এটা কি বাংলাদেশকে দুর্বল করে দিচ্ছে না- এ বিষয়ে তিনি বলেন, রোহিঙ্গা সমস্যা হলেও তাদের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্যে সমস্যা হয়নি। সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে এটা আলোচনা করে সমাধান হবে। তাই বলে সবকিছু বন্ধ করে দিয়ে নয়।
ভারত ১৩ সেপ্টেম্বর পেঁয়াজ রপ্তানিতে টনপ্রতি ৮৫০ ডলার বেঁধে দেয় এরপর থেকে হুরহুর করে পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি পায়। এরপর নিজেদের বাজারে দাম নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে ২৯ সেপ্টেম্বর পুরোপুরি পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দেয় ভারত। এরপর রাতারাতি পেঁয়াজের দাম বেড়ে ১৩০ টাকায় ওঠে। এরপর মাঝাখানে পেঁয়াজের দাম কমলেও কয়েক দিন থেকে আবার বাড়তে শুরু করে।
টাইমস/এএইচ/এইচইউ