খুলনায় স্ত্রীকে হত্যা, স্বামীর যাবজ্জীবন
প্রতীকী ছবি
খুলনায় স্ত্রী দিপালী অধিকারীকে (৩৫) হত্যার দায়ে স্বামী কালিপদ অধিকারীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩’র বিচারক মোহাম্মদ মহিদুজ্জামান এ রায় দেন।
মামলার বিবরণে জানা যায়, আসামি কালীপদ অধিকারী ২০১৪ সালের ১৩ আগস্ট রাতে তার স্ত্রী দিপালী অধিকারীকে হত্যা করেন। হত্যার পর তাদের ১৪ বছর বয়সী ছেলেকে ভারতে নিয়ে গিয়ে ১৫ আগস্ট রাতে শ্যালক কল্যাণ অধিকারীকে ফোন দিয়ে জানান, তার বোনকে (কালীপদের স্ত্রী দিপালী) ফোনে পাওয়া যাচ্ছে না।
পরদিন সকালে কল্যাণ অধিকারী নগরীর বয়রার এক নম্বর ক্রস রোডের মসজিদের পাশের গলির একটি ভাড়া বাড়িতে এসে ঘরে তালাবদ্ধ দেখতে পান। পরে তিনি পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের উপস্থিতিতে ঘরের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় বোনের মরদেহ দেখতে পান। পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করলে পরিবার মরদেহ সৎকার করে।
এ ঘটনায় নিহতের ভাই কল্যাণ অধিকারী বাদী হয়ে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের সোনাডাঙ্গা মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় কালীপদের বোনকেও আসামি করা হয়। কিন্তু মামলার তদন্তে শুধুমাত্র কালীপদকেই দায়ী করে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। পরে আসামি কালীপদ আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। দীর্ঘদিন মামলাটি চলার পর মঙ্গলবার খুলনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩’র বিচারক কালীপদ অধিকারীর বিরুদ্ধে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় ঘোষণা করেন।
টাইমস/এইচইউ