© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

আবরার হত্যার বিচার হবে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে: আইনমন্ত্রী

শেয়ার করুন:
আবরার হত্যার বিচার হবে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে: আইনমন্ত্রী
own-reporter
০৫:১৭ পিএম | ১৩ নভেম্বর, ২০১৯

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডের বিচার দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনালে হবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

বুধবার এ মামলায় ২৫ জনকে আসামি করে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে চার্জশীট দেওয়ার পর সচিবালয়ের নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের কাছে দেওয়ায় তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় একথা বলেন তিনি।

গত ৬ অক্টোবর রাতে আবরারকে নির্দয়ভাবে পেটান বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। পরে শেরেবাংলা হলের দ্বিতীয় তলা থেকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চি‌কিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এই ঘটনায় পরদিন নিহতের বাবা বরকত উল্লাহ বাদী হয়ে ১৯ জনকে আসামি করে চকবাজার থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় চার্জশীটভুক্ত এই ১৬ জনসহ মোট ২১ জন‌কে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বা‌হিনী।

আইনমন্ত্রী বলেন, যে কারণেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হোক না কেন এটা হত্যাকাণ্ড। এরকম হত্যাকাণ্ড ঘটানো উচিত নয়। সমাজ এটাকে মেনে নেবে না, আমরা এটাকে মেনে নেবো না। এটার উচিত বিচার হতে হবে, শুধু উচিত বিচার এ কারণে না যে একটা হত্যাকাণ্ড হয়ে গেছে। এটার মতো আর কোনোদিন যাতে পুনরাবৃত্তি না ঘটে সেটা আমাদের নিশ্চিত করতে হবে।

আইনমন্ত্রী অনিসুল হক বলেন, নিশ্চয়ই ফাহাদ হত্যাকাণ্ডের বিচার আমরা চাই। কিন্তু ফাহাদ হত্যাকাণ্ডের বিচার তার পরিবারকে দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমরা আরো যেটা চাই, এই বিচারের মাধ্যমে অন্ততপক্ষে একটা বার্তা জনগণের কাছে যাক যে এরকম হত্যাকাণ্ডের বিচার হোক, অপরাধীরা সাজা পাক।

আইনমন্ত্রী বলেন, আইনে কিন্তু বলা আছে একটা সময় দিতে হবে, সেই সময়ের ওপর দিয়ে কিন্তু আমরা যেতে পারবো না। সেই বাধ্যবাধকতা আছে। সেই আইনি বাধ্যবাধকতা মেনেই যত দ্রুত করা যায় সেটা করা হবে।

তিনি বলেন, ‘দ্রুত বিচার আইন, ২০০০’ এটাকে বিচার করার জন্য আমি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে অনুরোধ করবো। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে আবেদন আসতে হয়। সেটা যখন আইন মন্ত্রণালয়ে আসবে তখন আমরা দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনালে এ মামলার বিচার করার জন্য আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবো।

পলাতকদের বিষয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, আদালতের বেঁধে দেওয়া নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যদি তারা আত্মসমর্পণ না করে তাহলে তাদের অনুপস্থিতিতে বিচার করার জন্য প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে অর্থাৎ খবরের কাগজে দিতে হবে। খবরের কাগজে দেওয়ার পরেও তারা না আসলে আদালত সিদ্ধান্ত দেবেন যে পলাতক অবস্থায় বিচার করতে হবে।

 

টাইমস/এমএস

মন্তব্য করুন