© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

খাতুনগঞ্জের ১৫ টন পচা পেঁয়াজ ময়লার ভাগাড়ে

শেয়ার করুন:
খাতুনগঞ্জের ১৫ টন পচা পেঁয়াজ ময়লার ভাগাড়ে
own-reporter-chattogram
০২:৩৮ পিএম | ১৬ নভেম্বর, ২০১৯

চট্টগ্রামের বৃহৎ পাইকারি বাজার খাতুনগঞ্জ থেকে প্রায় ১৫ টন পচা পেঁয়াজ আবর্জনার স্তূপে ফেলে দেওয়া হয়েছে। খাতুনগঞ্জের মসলা মার্কেট হিসেবে খ্যাত হামিদুল্লাহ মার্কেট, চাঁন মিয়া বাজার এবং মধ্যম চাক্তাই এলাকায় এসব পচা পেঁয়াজ ফেলে যায় আড়তদাররা। বৃহস্পতিবার রাতে এগুলো ফেলে যায় তারা। মিয়ানমার থেকে আনা এসব পেঁয়াজ পরিবহনের সময় নষ্ট হয়ে গিয়েছিল বলে দাবি করছেন আড়তদাররা।

চট্টগ্রামের বৃহৎ পাইকারি বাজার খাতুনগঞ্জ থেকে প্রায় ১৫ টন পচা পেঁয়াজ আবর্জনার স্তূপে ফেলে দেওয়া হয়েছে। মিয়ানমার থেকে আনা এসব পেঁয়াজ পরিবহনের সময় নষ্ট হয়ে গিয়েছিল বলে দাবি করছেন আড়তদাররা।

খাতুনগঞ্জের মসলা মার্কেট হিসেবে খ্যাত হামিদুল্লাহ মার্কেট, চাঁন মিয়া বাজার এবং মধ্যম চাক্তাই এলাকায় এসব পচা পেঁয়াজ ফেলে যায় আড়তদাররা। বৃহস্পতিবার রাতে ফেলে যাওয়া এসব পেঁয়াজ সিটি করপোরেশনের গাড়ি নগরের আরেফিন নগর এলাকায় আর্বজনা স্তূপে নিয়ে ফেলে।

'বৃহস্পতিবার রাতে হামিদুল্লাহ মার্কেটের ভিতরে ও বাইরে এবং চাঁন মিয়া বাজার ও মধ্যম চাক্তাই এলাকায় পচা পেঁয়াজ ফেলে যায়। ওয়ার্ড কাউন্সিলরের কাছ থেকে খবর পেয়ে চারটা গাড়িতে করে সেগুলো আরেফিন নগর নিয়ে ফেলে আসি। পচা পেঁয়াজ প্রায় ১৫-১৬ টন হবে' - বলেন ৩৫ নম্বর বক্সিরহাট ওয়ার্ডের পরিচ্ছন্নতা পরিদর্শক আহমদ ছফা।

এসব পচা পেঁয়াজ মিয়ানমার থেকে এসেছে দাবি করে হামিদুল্লাহ মার্কেটের কাঁচামাল আড়তদার সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. ইদ্রিচ বলেন, ‘মিয়ানমার থেকে আনার সময় যেগুলো বোটের (নৌকা) নিচে পড়ে সেগুলো পচে যায়। এ রকম দুই থেকে তিন ট্রাক হবে। যেগুলো বিক্রি হয়নি, সেগুলো ফেলে দেওয়া হয় রাতে। এরপর আর ফেলা হয়নি।

গত সেপ্টেম্বরে ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দেওয়ার পর সরকার মিয়ানমার থেকে আমদানি বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়। তবে মিয়ানমারের পেঁয়াজের মান নিয়ে তখনও প্রশ্ন তুলেছিলেন ব্যবসায়ীরা।

 

টাইমস/এসআই

 

 

মন্তব্য করুন