বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ও নাটোর-২ আসনের মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী অ্যাডভোকেট এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু বলেছেন, বাংলাদেশ এগিয়ে যাক, ভারত এটা চায় না। তাই আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে তাদের খুশি করতে দীপু মনিকে শিক্ষামন্ত্রী বানায়। দীপু মনির সময়ে শিক্ষার্থীরা সাদা খাতা জমা দিলে অটোপাশ আর একটু লিখলে দিত জিপিএ-৫।
‘দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে এমনভাবে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছিল যাতে বাংলাদেশ আর ঘুরে দাঁড়াতে না পারে’।
শনিবার (২৯ নভেম্বর) দুপুরে জেলার নলডাঙ্গা উপজেলার বাসুদেবপুরে নিজের বাবার নামে প্রতিষ্ঠিত ডা. নাসির উদ্দিন তালুকদার মহাবিদ্যালয়ে আয়োজিত নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে দুলু এসব কথা বলেন।
দুলু বলেন, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার তাদের ১৭ বছরের শাসনামলে বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে একেবারে ধ্বংস করে দিয়েছে। বিএনপির শাসনামলে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী এহসানুল হক মিলনের নেতৃত্বে দেশকে নকলমুক্ত করা হয়েছিল। নকল একটি জাতিকে ধ্বংস করে দেয়।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ৩১ দফায় পরিষ্কারভাবে ঘোষণা দিয়েছেন- দল ক্ষমতায় গেলে শিক্ষা এবং স্বাস্থ্য খাতে সর্বাধিক বরাদ্দ ও গুরুত্ব দেওয়া হবে।
অনুষ্ঠানে খালেদা জিয়ার জন্য দেশবাসীসহ নাটোরের সব শ্রেণিপেশার মানুষের কাছে দোয়া চান দুলু। তিনি বলেন, দেশের মানুষের প্রয়োজনে, বাংলাদেশের গণতন্ত্র, বাংলাদেশের স্বাধীনতা, বাংলাদেশে ভোটের অধিকার রক্ষার জন্য আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বেঁচে থাকা বড়ই প্রয়োজন।
দুলু বলেন, খালেদা জিয়া আমাদের জাতির ঐক্যের প্রতীক। এ দেশের গণতন্ত্র এবং সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে গিয়ে বেগম জিয়া বারবার তার জীবন শঙ্কার মধ্যে ফেলতেও কুণ্ঠাবোধ করেননি। তিনি গণতন্ত্র রক্ষায় সব সময় ছিলেন আপসহীন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় খালেদা জিয়া তার গোটা জীবনকে বিলিয়ে দিয়েছেন। তার আরও কিছু সময় বেঁচে থাকা জাতির জন্য খুবই জরুরি।
কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আব্দুল মালেকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক রহিম নেওয়াজ, যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান শাহীন, সাইফুল ইসলাম আফতাব, জেলা বিএনপির সদস্য নাসিম উদ্দিন নাসিম, নাটোর পৌরসভার সাবেক মেয়র কাজী শাহ আলম ও এমদাদুল হক আল মামুন, জেলা যুবদলের সভাপতি এ হাই তালুকদার ডালিম, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি কামরুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ফরহাদ আলী দেওয়ান শাহীন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক সানোয়ার হোসেন তুষার ও শ্রমিক নেতা শরিফুল ইসলাম বুলবুল প্রমুখ।
টিজে/টিএ