সমস্যা ছেড়েও ছাড়ে না সালমানকে! ফের আদালতে হাজিরা দিতে হতে পারে অভিনেতাকে, এ বার কী কারণে?
সালমান খান এই প্রজন্মের প্রতি সঠিক বার্তা দিচ্ছেন না সম্প্রতি এমন অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। কারণ, একটি পানমশলার বিজ্ঞাপনে মুখ দেখানোর পরেই শুরু হয়েছে প্রতিবাদের ঢেউ।
তিনি কিছু করলেই সমস্যা! কখনও তাঁর কাঁধে কৃষ্ণসার হরিণ শিকারের দায়, আবার কখনও অন্য বিতর্ক। এবার অভিযোগ উঠেছে বিজ্ঞাপন নিয়ে। সালমান নাকি এমন একটি ‘মাউথ ফ্রেশনার’ এর বিজ্ঞাপনে মুখ দেখিয়েছেন, যা অভিযোগকারীদের মতে আসলে তামাকজাত দ্রব্যকে আড়াল করে প্রচার করছে।
বিষয়টি নিয়ে অবশেষে মুখ খুলেছেন সালমান। তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, ‘‘কোনও ধরনের তামাকজাত দ্রব্যের বিজ্ঞাপনে আমি কখনও মুখ দেখাইনি। যে বিজ্ঞাপন নিয়ে এত বিতর্ক, সেটি কেবল তবক জড়ানো এলাচের বিজ্ঞাপন পানমশলা বা তামাকের নয়।’’ তাঁর দাবি, আইনি দিক যাচাই করেই তিনি বিজ্ঞাপনে কাজ করেছিলেন এবং এমন পণ্যে কোনও নিষেধাজ্ঞা নেই।
অভিনেতার আইনজীবী আশিস দুবেও একই কথা জানিয়েছেন। আদালতে তিনি বলেন, সালমান কোনও পানমশলা প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর নন। ফলে তাঁর বিরুদ্ধে ‘উপভোক্তা স্বার্থবিরোধী’ মামলা দায়ের আইনত অবৈধ। তাঁর বিস্ময় যে ব্যক্তি বহু বছর ধরে সচেতনভাবে তামাকজাত দ্রব্যের প্রচার এড়িয়ে চলেন, তাঁর বিরুদ্ধেই এমন অভিযোগ আনা হয়েছে।
কোন বিজ্ঞাপন নিয়ে এই বিতর্ক? জানা গেছে, রুপোলি তবক দেওয়া একটি ‘মাউথ ফ্রেশনার’-এর বিজ্ঞাপনেই মুখ দেখিয়েছেন সালমান। এরপর বিজেপি নেতা ইন্দর মোহন সিং হানি, সমাজকর্মী প্রদীপ ইন্সট্রাক্টর সিং হানিসহ একাধিক আবেদনকারী অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁদের দাবি মাত্র পাঁচ টাকায় খাঁটি জাফরান বা রুপোর তবক সম্ভব নয়; আসলে এটি তামাকজাত দ্রব্যের প্রচার, যা তরুণ প্রজন্মকে ভুল বার্তা দিচ্ছে।
সালমান লিখিত বিবৃতিতে জবাব দিলেও অভিযোগকারীরা তাতে সন্তুষ্ট নন। এমনকি বিবৃতিতে তাঁর স্বাক্ষর নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। তাই তাঁরা আদালতকে অনুরোধ করেছেন সালমান খানকে ব্যক্তিগতভাবে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দিতে।
এমকে/এসএন