ময়মনসিংহে দ্বিতীয় দিনের মতো মনোনয়ন যাচাই-বাছাই কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে।
শনিবার দিনভর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ কার্যক্রমে ময়মনসিংহ-৪, ময়মনসিংহ-৫, ময়মনসিংহ-৬ ও ময়মনসিংহ-৭ এই চারটি আসনের ৩৪ জন প্রার্থী মনোনয়ন যাচাই-বাছাইয়ে অংশ নেন।
প্রথমে ময়মনসিংহ-৪-সদর আসনে যাচাই বাছাইয়ে ১০ প্রার্থীর মধ্যে দুইজনের ও ময়মনসিংহ-৫-মুক্তাগাছা আসনে ৬ প্রার্থীর মধ্যে ১ জন, ময়মনসিংহ-৬ ফুলবাড়িয়া আসনে ৯ জনের মধ্যে ২ জনের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে ও একজনের মনোনয়ন স্থগিত রাখা হয়েছে। এছাড়া ময়মনসিংহ-৭-ত্রিশাল আসনে ৯ প্রার্থীর মধ্যে বিএনপির প্রার্থীসহ ৬ জনেরই মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। এদিন মোট ১১ জনের মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। এনিয়ে দুই দিনে সাতটি আসনের যাচাই-বাছাইয়ে মোট ১৬ জনের মনোনয়ন বাতিল ও একজনের মনোনয়ন স্থগিত করা হয়েছে।
শনিবার ময়মনসিংহ-৪ আসনে হলফনামায় সম্পদের বিবরণ না দেয়ায় বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির প্রার্থী লিয়াকত আলী ও আয়কর রিটার্নে সম্পদ ও আয়-ব্যয়ের তথ্য না তথ্য না দেয়ায় ন্যাশনাল পিপলস পার্টি হামিদুল ইসলামের মনোনয়নপত্র বাতিল করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। এছাড়া দলের মনোনয়নপত্রে দলীয় প্রধানের সাক্ষরে মিল না থাকা ও আয়কর রিটার্নে আয়-ব্যয়ের তথ্য না থাকায় ময়মনসিংহ-৫ আসনে এবি প্রার্টির প্রার্থী রফিকুল ইসলামের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।
ময়মনসিংহ-৬ (ফুলবাড়িয়া) আসনে ঋণ খেলাপির কারণে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী নুরে আলম সিদ্দিকীর মনোনয়ন বাতিল ও স্বতন্ত্র প্রার্থী তানভীর আহমেদ রানার বিরুদ্ধে দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগ থাকায় তার মনোনয়ন স্থগিত রাখা হয়েছে।
এছাড়া ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল) আসনে মোট ৯ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন। এরমধ্যে যাচাই-বাছাইয়ে ৬ জনেরই মনোনয়ন বাতিল হয়েছে। হলফনামায় মামলার তথ্য গোপন করায় বিএনপির দলীয় প্রার্থী ডা. মাহবুবুর রহমান লিটনের মনোনয়ন বাতিল করা হয়। তার বিরুদ্ধে একটি মামলা রয়েছে, তা তিনি উল্লেখ করেননি। এছাড়া মামলার তথ্য না দেওয়ায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী আব্দুল কদ্দুস, হলফনামা অসম্পূর্ণ থাকা এবং এক শতাংশ ভোটার সমর্থন সঠিক না পাওয়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ আনোয়ার সাদাত, জয়নাল আবেদিন ও আবুল মুনসুর এবং এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠান থেকে পদত্যাগ না করে প্রার্থী হওয়ায় খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. নজরুল ইসলামের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।
কেএন/টিকে