বরিশালের ছয়টি সংসদীয় আসনের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ আসন বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ–মুলাদী) থেকে আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও দলীয় প্রার্থী ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদের (আসাদুজ্জামান ভুঁইয়া) মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা।
নির্বাচনী হলফনামায় ব্যারিস্টার ফুয়াদ তার নিজের ও স্ত্রীর আয়-ব্যয়ের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেছেন। হলফনামা অনুযায়ী, তার মোট সম্পদের পরিমাণ ৭ লাখ টাকা। অন্যদিকে তার স্ত্রীর মোট সম্পদের পরিমাণ দেখানো হয়েছে ২ লাখ ১৮ হাজার টাকা।
ব্যারিস্টার ফুয়াদের নামে ব্যাংক হিসাবে জমা রয়েছে ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং তার স্ত্রীর নামে ব্যাংক হিসাবে রয়েছে ১৮ হাজার টাকা। নগদ অর্থ হিসেবে তিনি দেখিয়েছেন ২ লাখ টাকা, আর তার স্ত্রীর কাছে রয়েছে ৫০ হাজার টাকা নগদ।
আয়ের উৎস-সংক্রান্ত তথ্যে উল্লেখ করা হয়েছে শেয়ার, সঞ্চয়পত্র ও ব্যাংক খাত থেকে তার বার্ষিক আয় ৫ হাজার ৬০২ টাকা। পেশাগতভাবে চাকরি ও আইনজীবী হিসেবে চেম্বার থেকে সম্মানী বাবদ তার আয় ৪ লাখ ১০ হাজার টাকা।
এ ছাড়া, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য আয় করেন তিনি। হলফনামা অনুযায়ী, ফেসবুক, ইউটিউব ও বিভিন্ন টেলিভিশন টকশোতে অংশগ্রহণ থেকে তার আয় হয়েছে ৩ লাখ ২৬ হাজার টাকা।
হলফনামায় তার বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি মামলা বা ঋণখেলাপির তথ্য উল্লেখ করা হয়নি বলে জানা গেছে।
উল্লেখ্য, নির্বাচন কমিশনের বিধিমালা অনুযায়ী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রত্যেক প্রার্থীকে নির্বাচনী হলফনামায় নিজের ও নির্ভরশীলদের আয়, সম্পদ, দায় ও মামলার তথ্য সঠিকভাবে প্রকাশ করা বাধ্যতামূলক।
মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণার পর তার প্রতিক্রিয়ায় আসাদুজ্জামান ভূইয়া বলেন, আমরা চাচ্ছি একটা সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ। আমাদের নির্বাচনে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে আচারবিধি মানছে কিনা সেটা নিশ্চিত করা। বরিশাল-৩ আসনে সেটা কেউ মানছে না। বিভিন্ন দল ইতোমধ্যে অনলাইনে পোস্টার ব্যানার ছড়িয়ে প্রচারণা চালাচ্ছে। একটি পক্ষ থানায় তালিকা দিয়ে মিথ্যা অভিযোগে মামলা দিয়ে হয়রানির চেষ্টা করছে। তারা সর্বহারাদের এলাকায় নিয়ে আসছে। নির্বাচনকে সামনে রেখে অস্ত্র সংগ্রহ করছে ওই পক্ষটি। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তাকে বিষয়গুলো অবহিত করা হয়েছে। তার উচিত সবার জন্য লেভেল পয়িং ফিল্ড তৈরি করা।
এসকে/টিকে