এক শতাংশ ভোটার তথ্যে অসংগতি ও গড়মিলের কারণে কক্সবাজার-৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দেওয়া মোহাম্মদ ইলিয়াছ মিয়ার মনোনয়ন বাতিল করেছেন জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ আব্দুল মান্নান।
শনিবার (৩ জানুয়ারি) সকালে কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে আসনটির মনোনয়ন যাচাই-বাছাই অনুষ্ঠিত হয়। যেখানে শুধু ইলিয়াছ মিয়া ছাড়া অন্য ৫ প্রার্থীর মনোনয়ন গৃহীত হয়েছে।
প্রার্থীতা বাতিলের পর মানবাধিকার ও পরিবেশ কর্মী হিসেবে পরিচিত এই তরুণ নিজের ফেসবুক একাউন্টের এক পোস্টে দেশ ছেড়ে পরিবারসহ কানাডা চলে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। ইলিয়াছ মিয়া লিখেছেন, ‘পরিবার সমেত দেশ ছেড়ে কানাডা চলে যাব এই মাসের মধ্যে। ভালো থেকো বাংলাদেশ। আর পারলাম না। বড্ড ক্লান্ত!’
এদিকে মনোনয়ন বাতিল হলেও তপশিল অনুযায়ী আগামী ৫ জানুয়ারি থেকে ১১ জানুয়ারি পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনে আপিলের সুযোগ রয়েছে। তবে তিনি নির্বাচন করছেন না জানিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘আমার মনোনয়ন প্রশাসন বাতিল করেছে, সিদ্ধান্ত নিয়েছি ইলেকশন করব না বিদেশ চলে যাব। দেশ যেভাবে চলছে সেভাবে চলুক, গোলামি আমাদের গলার মালা৷’
এ বিষয়ে কক্সবাজার নাগরিক আন্দোলনের সদস্যসচিব এইচ এম নজরুল ইসলাম বলেন, ‘স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ১ শতাংম ভোটারের স্বাক্ষর নেওয়ার যে সিস্টেম যে সংস্কৃতি চালু রয়েছে, এটি যতদিন থাকবে ততদিন মাফিয়া চক্রের সদস্য ছাড়া অন্য কেউ নির্বাচন করার সাহস শক্তি পাবে না।’
জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা আব্দুল মান্নান বলেন, ‘জেলার ৪টি আসনে মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন ২৩ জন প্রার্থী। যাদের মধ্যে ১৮ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে এবং বাতিল হওয়া ৫ প্রার্থীরা নির্বাচন কমিশনে আপিল করতে পারবেন।’
ইউটি/টিএ