জোড়া খুনের মামলার তালিকাভুক্ত আসামি আওয়ামী লীগ নেতা জিয়াউল হক চৌধুরীকে (৪৩) গ্রেপ্তারের পর তার অনুসারীরা পুলিশের কাছে থেকে ছিনিয়ে নিয়ে গেছে।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার খানখানাবাদ ইউনিয়নের কদমরসূল বটতলী বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
জিয়াউল হক চৌধুরী খানখানাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের দুইবার চেয়ারম্যান প্রার্থী ছিলেন। তিনি আওয়ামী লীগ সরকার আমলে সাবেক সংসদ সদস্য মুস্তাফিজুর রহমান চৌধুরীর সময়ে খানখানাবাদ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে, জিয়াউল হক বাঁশখালী উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক ছিলেন।
পুলিশের তথ্যমতে, জিয়াউল হক চৌধুরীর বিরুদ্ধে সরকারবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে। তিনি খানখানাবাদ ইউনিয়নের আলোচিত জোড়া খুনের মামলার তালিকাভুক্ত আসামি।
দীর্ঘদিন ধরে জিয়াউল হককে গ্রেপ্তারের জন্য নজরদারিতে রাখা হয়েছিল। সোমবার বিকেলে বটতলী বাজারের একটি চায়ের দোকানে আড্ডা দেওয়ার সময় পুলিশ তাকে ঘেরাও করে গ্রেপ্তার করে। হাতকড়া পরিয়ে পুলিশের গাড়িতে তোলার সময় তার অনুসারীরা সেখানে জড়ো হয়ে পুলিশের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে উত্তেজিত লোকজন জিয়াউল হককে হাতকড়াসহ পুলিশের হেফাজত থেকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।
বাঁশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. খালেদ সাইফুল্লাহ জানান, বিভিন্ন মামলার পলাতক আসামি জিয়াউল হক চৌধুরীকে গ্রেপ্তারের পর নিয়ে আসার পথে তার অনুসারীরা পুলিশের কাছ থেকে তাকে ছিনিয়ে নেয়।
টিজে/টিকে