চলতি অর্থবছরের উন্নয়ন বাজেট থেকে ছেঁটে ফেলা হচ্ছে ৩০ হাজার কোটি টাকা। এরমধ্যে ১২ হাজার কোটিই কমবে ১০টি মেগা প্রকল্প থেকে। সর্বোচ্চ ৯১ শতাংশ বরাদ্দ কমছে পূর্বাচল-বিমানবন্দর-মতিঝিল রুটের এমআরটি ওয়ান প্রকল্প থেকে। আবার ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের জন্য বাড়তি টাকা রাখা হয়েছে।
এমন নানা সংশোধন প্রস্তাব নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার সভাপতিত্বে শুরু হয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ - এনইসি সভা। এটিই অন্তবর্তী সরকারের শেষ এনইসি সভা।
পরিকল্পনা কমিশন জানায়, রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা ও অর্থ সংকটের কারণে এডিপি বাস্তবায়নের গতি কাঙ্খিত নয়। তাই ৩টি মেট্রোরেলসহ সিরাজগঞ্জ-হাটিকুমরুল ফোর লেন, ঢাকা-সিলেট চার লেন, মাতারবাড়ি বন্দর উন্নয়ন, শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং গাজীপুর বিআরটি প্রকল্পের বরাদ্দ কমানো হচ্ছে।
এদিকে, অপরিবর্তিত থাকছে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের বাজেট। সব মিলিয়ে, ৩০ হাজার কোটি কমে, সংশোধিত উন্নয়ন বাজেটের আকার প্রস্তাব করা হয়েছে ২ লাখ কোটি টাকা।
চলতি এডিপিতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ রয়েছে পরিবহন ও যোগাযোগ খাতে ৫৮ হাজার ৯৭৩ কোটি টাকা, যা মোট এডিপির ২৫.৬৪ শতাংশ। এরপর রয়েছে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত (৩২ হাজার ৩৯২ কোটি), শিক্ষা (২৮ হাজার ৫৫৭ কোটি), গৃহায়ণ (২২ হাজার ৭৭৬ কোটি) ও স্বাস্থ্য খাত (১৮ হাজার ১৪৮ কোটি টাকা)।
সম্প্রতি একনেক বিফ্রিংয়ে পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেন, ‘গত বছর নানা কারণে অনেক প্রকল্প বাস্তবায়নে গতি কমে গিয়েছিল। এবার সেই অজুহাত চলবে না। নির্বাচনের আগে আমরা চাই আরএডিপি সময়মতো চূড়ান্ত হোক, যাতে উন্নয়ন কার্যক্রমে গতি আসে।’
কেএন/টিকে