১৯৪৬ সালে ১০০ মিলিয়ন ডলার মূল্যের স্বর্ণের বিনিময়ে গ্রিনল্যান্ড কেনার প্রস্তাব দিয়েছিলেন তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি ট্রুম্যান। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ৩৩তম প্রেসিডেন্ট ছিলেন।
তবে পৃথিবীর বৃহত্তম দ্বীপ কেনার দাবি অনেকেই নাকোচ করে দেন। কারণটা খুবই সহজ। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর ডিকলোনাইজেশনের যুগে একটি দ্বীপ কেনার কথা বলাও বিপদ।
তবে আমেরিকা সেই সময়ে গ্রিনল্যান্ডের কিছু জায়গায় লিজ নিয়ে নতুন সামরিক ঘাঁটি স্থাপনের কথা বলে। কিন্তু স্বাধীন দেশের গোটা একটা বিশাল অঞ্চল একেবারে কিনে নেওয়া হবে, এটা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের আগে কেউ আর উচ্চারণ করেননি।
অনেকের মনেই কৌতূহল, কেনো ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ডের পেছনে পড়েই আছেন। এক কথায়, গ্রিনল্যান্ড পৃথিবীর বৃহত্তম দ্বীপ। আয়তন তুলনা করলে বাংলাদেশের থেকে প্রায় ১৫ গুণ বড় দ্বীপটি। প্রায় ৮০ শতাংশ বরফে ঢাকা গ্রিনল্যান্ডে বসবাসকারী মানুষ কম হলেও, দ্বীপটিতে রয়েছে অফুরন্ত মৎস্যসম্পদ, পৃথিবীর বিশুদ্ধতম পানি, বিরল প্রাণিবৈচিত্র্য এবং অনন্য প্রাকৃতিক সৌন্দর্য।
গ্রিনল্যান্ডে কম্পিউটার, স্মার্টফোন এবং ব্যাটারিচালিত গাড়ির জন্য প্রয়োজনীয় দুষ্প্রাপ্য খনিজ পদার্থের বিশাল মজুত রয়েছে। এছাড়াও রয়েছে ইউরেনিয়াম ও জিংক।
ট্রাম্প যদি গ্রিনল্যান্ড ক্রয় করতে সফল হন তাহলে শিল্পজাত খনিজ পদার্থের ওপর চীনের প্রাধান্য রুখে দেওয়া যাবে বলে ধারণা বিশ্লেষকদের।
আইকে/টিএ