নড়াইল-১ আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী মাওলানা আব্দুল আজিজের একটি নির্বাচনী অফিস পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) শেষ রাতে নড়াইল সদর উপজেলার বিছালী তিন দোকান এলাকায় এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থীর নেতা-কর্মীরা জানান, রোববার (২৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যার পর ভোট চাওয়াকে কেন্দ্র করে ওই এলাকায় জামায়াতে ইসলামী সমর্থিত নেতা-কর্মীদের সঙ্গে ইসলামী আন্দোলনের নেতা-কর্মীদের বাকবিতণ্ডা হয়। পরে রাতেই বিষয়টি মীমাংসা হয়ে যায়। তবে শেষ রাতে ওই এলাকায় ইসলামী আন্দোলনের অফিসে কে বা কারা অগ্নিসংযোগ করে। এতে অফিসে থাকা চেয়ার-টেবিল, মাইক ও হাতপাখা প্রতীকসহ সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নড়াইল জেলা শাখার সেক্রেটারি এস এম নাসির উদ্দিন বলেন, ‘নির্বাচনের শুরু থেকেই আমাদের প্রার্থীর এই কার্যালয় ছিল এবং নির্বাচনী কর্মকাণ্ড চলত। গত রাতে জামায়াতে ইসলামী কর্মীদের সঙ্গে আমাদের বাকবিতণ্ডা হয়েছে। এর মধ্যে আমাদের অফিসটিতে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়েছে, সবকিছু পুড়ে গেছে। যাচাই-বাছাই করে যারা এ ঘটনার সঙ্গে যুক্ত, তাদের আইনের আওতায় এনে দৃশ্যমান বিচারের দাবি জানাই।’
নড়াইল-১ আসনের প্রার্থী মাওলানা আব্দুল আজিজ দেশের একটি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘বিছালী ইউনিয়নে আমাদের প্রচারণার অফিসটিতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এতে অফিসের মালামাল পুড়ে গেছে।’ তবে কে বা কারা এই ঘটনা ঘটিয়েছেন, সে বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।
এ বিষয়ে বিছালী ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর ৭ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি মো. হাসিবুর মোল্যা বলেন, ‘ভুল বোঝাবুঝি থেকে উভয় দলের সমর্থকদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হলেও সেটি মীমাংসা হয়ে যায়। সবাই সন্তুষ্ট হয়ে কোলাকুলি করে যার যার মতো চলে যান। তাদের অফিসে আগুনের ঘটনায় আমাদের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। আমরাও চাই, আগুনের ঘটনায় যারা জড়িত, সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি হোক।’
ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) অজয় কুমার বলেন, ‘ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। এ ব্যাপারে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
এমআর/টিএ