ইরানের বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞা অনুমোদন করেছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা।
সংবাদ সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) গৃহীত এসব নিষেধাজ্ঞা ইরানে বিক্ষোভকারীদের ওপর সহিংস দমন-পীড়নের সাথে জড়িত ব্যক্তি ও সংস্থা এবং রাশিয়ার প্রতি দেশটির সমর্থনকে লক্ষ্য করে আরোপ করা হয়েছে।
এছাড়া, ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-কে ইইউর ‘সন্ত্রাসী সংগঠন’-এর তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে একটি রাজনৈতিক সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে ইসলামিক স্টেট ও আল-কায়েদার মতো সংগঠনের কাতারে পড়বে আইআরজিসি, যা ইরানের নেতৃত্বের প্রতি ইউরোপের দৃষ্টিভঙ্গিতে একটি প্রতীকী ও তাৎপর্যপূর্ণ পরিবর্তন আনতে পারে।
এদিকে, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক ‘দুঃসাহসিকতা’র বিষয়ে সতর্ক করেছেন চীনের একজন কূটনীতিক। সব পক্ষকে জাতিসংঘ সনদের উদ্দেশ্য ও নীতিমালা মেনে চলার এবং অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপের বিরোধিতারও আহ্বান জানান তিনি।
ফিলিস্তিন ইস্যুসহ মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি নিয়ে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের এক উন্মুক্ত বিতর্কে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, শক্তি প্রয়োগ করে সমস্যার সমাধান করা যায় না। যেকোনো ধরনের সামরিক দুঃসাহসিকতা অঞ্চলটিকে অনিশ্চয়তার অতল গহ্বরে ঠেলে দেবে।
তিনি আরও বলেন, ‘চীন আশা করে, যুক্তরাষ্ট্র ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য পক্ষ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও আঞ্চলিক দেশগুলোর আহ্বানে সাড়া দেবে, মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সহায়ক পদক্ষেপ নেবে এবং উত্তেজনা বাড়ায় এমন কাজ থেকে বিরত থাকবে।’
এর আগে, ইরানের ওপর সম্ভাব্য মার্কিন হামলা মধ্যপ্রাচ্যে গুরুতর অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করবে বলে জানায় রাশিয়া। সব পক্ষকে সংযম দেখানোর আহ্বানও জানিয়েছে দেশটি।
টিজে/টিকে