শেরপুরের হত্যাকাণ্ডের দায় জামায়াত-শিবিরকে নিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) বিকেলে নোয়াখালীর এওজবালিয়া ইউনিয়নের খাসের হাট এলাকায় অনুষ্ঠিত নির্বাচনী সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
নাছির উদ্দীন নাছির বলেন, গতকাল শেরপুরে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমরা দেখেছি- সেনাবাহিনী, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এমনকি বিএনপির নেতারা বারবার অনুরোধ করেছেন মিছিলটি ভিন্ন রাস্তায় নেওয়ার জন্য। কিন্তু জামায়াতে ইসলামী ইচ্ছাকৃতভাবে সংঘাত তৈরির চেষ্টা করেছে।
তিনি আরও বলেন, শেরপুরের হত্যাকাণ্ডের দায় জামায়াত-শিবিরকে নিতে হবে। তারা পরিকল্পিতভাবে বিভেদ সৃষ্টি করেছে, যার ফলেই এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে। বিএনপি এবং আমাদের দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান গত দেড় বছর ধরে সহনশীল রাজনীতির চর্চা করছেন। যারা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে চায়, তাদের বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও নোয়াখালী-৪ (সদর-সুবর্ণচর) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মো. শাহজাহান বলেন, অনেকেই বলছেন একটি দল নারীদের বিভ্রান্ত করেছে। আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই-কেউ কাউকে বিভ্রান্ত করতে পারেনি। পুরুষ-নারী, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে এদেশের মানুষ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ধানের শীষে ভোট দেওয়ার। যদি জনগণের এই সিদ্ধান্ত না থাকতো, তাহলে মা-বোনেরা এত কষ্ট করে আজ এখানে আসতেন না। আজ আপনাদের ঘরে থাকার কথা ছিল, কিন্তু আমাদের সাহস ও শক্তি জোগাতে আপনারা এখানে উপস্থিত হয়েছেন।
সমাবেশে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহবুব আলমগীর আলো, সদস্য সচিব মো. হারুনুর রশীদ আজাদ, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ওমর ফারুক ট্রফিসহ এওজবালিয়া ইউনিয়ন বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে, বুধবার (২৮ জানুয়ারি) শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনের ঝিনাইগাতী উপজেলায় উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে জামায়াত ও বিএনপির নেতা-কর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি রেজাউল করিম নিহত হন। ওই ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত শতাধিক নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন।
প্রসঙ্গত, বুধবার (২৮ জানুয়ারি) শেরপুর-৩ সংসদীয় আসনের ঝিনাইগাতী উপজেলায় উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা অনুষ্ঠানে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে জামায়াত ও বিএনপির নেতা-কর্মীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে শ্রীবরদী উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি রেজাউল করিম নিহত হন। ওই ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত শতাধিক নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।
পিএ/টিএ