আগামীকাল পর্দা নামছে মাসব্যাপী চলা ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার। আজ (৩০ জানুয়ারি) মেলার শেষ শুক্রবার হওয়ায় সকাল থেকেই দর্শনার্থীদের ঢল নামতে দেখা যায় মেলা প্রাঙ্গণে। ক্রেতাদের মধ্যেও মেলার শেষদিকের উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো।
রাজধানীর পূর্বাচলের বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে (বিবিসিএফইসি) এই মুহূর্তে মেলার ৩০তম আসরের শেষ মুহূর্তের কর্মব্যস্ততা। সকাল থেকেই পরিবার-পরিজন ও বন্ধু-বান্ধব নিয়ে মেলায় আসতে শুরু করেন দর্শনার্থীরা। মেলা প্রাঙ্গণে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে এবং দর্শকদের বিনোদনের জন্যও রয়েছে নানা আয়োজন।
এদিন দেখা যায়, মেলার শেষ সময়ে স্টলগুলোতে রীতিমতো মূল্যছাড়ের হিড়িক। ব্যবসায়ীরা তাদের অবিক্রিত পণ্যগুলো সস্তায় ছেড়ে দিচ্ছেন। অপরদিকে, ক্রেতারাও সেই সুযোগ লুফে নিতে ভিড় করছেন দোকানগুলোতে।
এবারের মেলায় বরাবরের মতোই কাশ্মিরি শাল, কার্পেট, ঘর সাজানোর ল্যাম্প এবং পোশাকের চাহিদা সবচেয়ে বেশি ছিল।
দেশীয় পণ্যও এই বাজারে পিছিয়ে নেই। বিভিন্ন আসবাবপত্র, ইলেকট্রনিকস সামগ্রী এবং কসমেটিকস আইটেমগুলোতে দেখা গেছে আশানুরূপ বেচাকেনা।
ক্রেতাদের বিশেষ আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে ভিন্নধর্মী পণ্য ও সাশ্রয়ী ইলেকট্রিক চুলার প্রতি। বিশেষ করে গৃহিনীরা এসব পণ্য কেনায় বেশ আগ্রহ দেখান।
বিক্রেতারা জানান, জাতীয় নির্বাচনের প্রস্তুতির জন্য এ বছর কর্মদিবসগুলোতে ক্রেতাদের উপস্থিতি কিছুটা কম থাকলেও, সরকারি ছুটির দিন গুলোতে তাদের প্রত্যাশা থাকে ভিন্ন।
ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, আজ এবং আগামীকালকের বেচাকেনা তাদের আগের সব মন্দা কিছু টা হলেও কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করবে। হাতে আর মাত্র একদিন সময় থাকায় যারা এখনো মেলায় আসতে পারেননি, তাদের শেষ সুযোগ আগামীকাল রাত ১০ টা পর্যন্ত।
উল্লেখ্য, গত পহেলা জানুয়ারি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা উদ্বোধনের তারিখ ঠিক থাকলে ও শনিবার (৩ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় পূর্বাচলের ৪ নং সেক্টরে বিবিসিএফইসি ভবনে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার ৩০তম আসর উদ্বোধন করা হয়।
এসকে/টিকে