জাপান-বাংলাদেশ ইপিএ ঐতিহাসিক অর্জন, কাটবে রপ্তানি বাঁধা: বাণিজ্য উপদেষ্টা
ছবি: সংগৃহীত
০৪:৩৭ পিএম | ০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
জাপান-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (ইপিএ) ভবিষ্যতে পণ্য রপ্তানি সম্ভাব্য বাধা দূর করবে এবং দেশের বাণিজ্য খাতকে এগিয়ে নিতে বড় ভূমিকা রাখবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন। তিনি এই চুক্তি স্বাক্ষরকে ‘ঐতিহাসিক অর্জন’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে জাপান-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি স্বাক্ষর নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।
বাণিজ্য উপদেষ্টা জানান, জাপান-বাংলাদেশ ইপিএর ফলে দেশটির উৎপাদনশীল ও সেবা খাতে বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশি কর্মী পাঠানোর নতুন সুযোগ তৈরি হয়েছে। এতে বাংলাদেশের কর্মসংস্থান ও দক্ষতা উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
তিনি আরও বলেন, ১ হাজার ৩৯টি জাপানি পণ্যকে বাংলাদেশে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার দেয়া হলেও এতে জাতীয় রাজস্বে কোনো নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না। সংবাদ সম্মেলনে উপদেষ্টা জানান, আজ রাতেই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি শুল্ক চুক্তি স্বাক্ষর হতে যাচ্ছে এবং আগামীকাল এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।
চট্টগ্রাম বন্দর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে যদি ধর্মঘট অব্যাহত থাকে, তবে রমজানে বাজারে অস্থিরতা তৈরি হতে পারে। তবে আশা করছি, নির্বাচিত সরকার বন্দর সচল রাখতে যথাযথ ও কার্যকর পদক্ষেপ নেবে।
এ সময় বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান বলেন, জাপান-বাংলাদেশের মধ্যে ইপিএ চুক্তিতে বাংলাদেশ সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। এতে বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ আসবে। চুক্তি কার্যকর হবে শিগগিরই।
দুই দেশের মধ্যে ইপিএ চুক্তির ফলে জাপান তাদের বাজারে ৭ হাজার ৭৯ টি বাংলাদেশি পণ্যকে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার দিয়েছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, বিপরীতে জাপানের ১ হাজার ৩৯টি পণ্য বিনাশুল্কে বাংলাদেশে প্রবেশ করবে।
এসএস/টিএ