মালিকানা না পেলে যুক্তরাষ্ট্র- কানাডা সেতুর উদ্বোধন বন্ধের হুমকি ট্রাম্পের
ছবি: সংগৃহীত
০১:০৬ পিএম | ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
কানাডা এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সংযোগকারী একটি নতুন প্রধান সেতুর উদ্বোধন বন্ধ করে দেয়ার হুমকি দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। ওয়াশিংটন যদি ক্ষতিপূরণ এবং প্রকল্পে আংশিক মালিকানা না পায়, তাহলে এটি বন্ধের হুমকি দেন তিনি।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) তার ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে একটি দীর্ঘ পোস্টে, ট্রাম্প বলেছেন যে, তিনি গর্দি হাও আন্তর্জাতিক সেতু, যা উইন্ডসর, অন্টারিও এবং ডেট্রয়েট, মিশিগানকে সংযুক্ত করে তা খুলতে দেবেন না। যতক্ষণ না মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সম্পূর্ণ ক্ষতিপূরণ পায় এবং কানাডা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে ন্যায্যতা এবং শ্রদ্ধার ভিত্তিতে আচরণ করে।
‘আমরা তাদের যা কিছু দিয়েছি তার সব দিয়ে, আমাদের এই সম্পদের অন্তত অর্ধেকের মালিক হওয়া উচিত। মার্কিন বাজারের কারণে যে রাজস্ব আসবে তা হবে অসাধারণ।’ তিনি লিখেছেন।
ট্রাম্প অভিযোগ করেন, কানাডা এই প্রকল্প থেকে অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে লাভবান হচ্ছে, দাবি করেছেন যে, এটি কার্যত কোনো মার্কিন সামগ্রী ছাড়াই নির্মিত হয়েছিল এবং অভিযোগ করেছেন, সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার অধীনে জারি করা একটি ছাড় কানাডাকে আমেরিকান পণ্য কেনার প্রয়োজনীয়তা এড়িয়ে যাওয়ার অনুমতি দিয়েছে।
তিনি কানাডিয়ান দুগ্ধ শুল্ক, মার্কিন অ্যালকোহল বিক্রয়ের উপর প্রাদেশিক বিধিনিষেধ এবং চীনের সাথে অটোয়ার যোগাযোগের বিষয়ে দীর্ঘদিনের অভিযোগের পুনরাবৃত্তি করেন।
চূড়ান্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর নতুন ছয় লেনের ক্রসিংটি চলতি বছরের শুরুতে খুলে দেয়া হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এটি দুই দেশের মধ্যে অন্যতম ব্যস্ততম বাণিজ্য সংযোগস্থলে পরিণত হবে।
২০১৮ সালে নির্মাণ শুরু হওয়া এই সেতুটির নির্মাণ ব্যয় প্রায় ৬ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এদিকে, কানাডিয়ান সরকারের মতে, সেতুটি সম্পূর্ণরূপে অটোয়ার অর্থায়নে করা হয়েছে তবে এটি কানাডা এবং মিশিগান রাজ্যের জনসাধারণের মালিকানাধীন হবে। উইন্ডসরের মেয়র ড্রু ডিলকেন্স বলেছেন যে, মার্কিন প্রেসিডেন্টের পোস্টের কিছু অংশ ‘উন্মাদনা’ ছাড়া কিছুই নয়।
ট্রাম্প তার প্রথম মেয়াদে সেতুটিকে সমর্থন করেছিলেন, এটিকে গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক সংযোগ বলে অভিহিত করেন। যদিও অ্যাম্বাসেডর ব্রিজের মালিকরা দীর্ঘদিন ধরে এই প্রকল্পের বিরোধিতা করে আসছেন।
সূত্র: আর টি
আরআই/টিকে