© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

শ্রাবন্তীর সঙ্গে ‘ঠাকুমার ঝুলি’ সিরিজে দিব্যাণী!

শেয়ার করুন:
শ্রাবন্তীর সঙ্গে ‘ঠাকুমার ঝুলি’ সিরিজে দিব্যাণী!

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৯:২৯ এএম | ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
রহস্য আর নস্টালজিয়ার মিশেলে এক নতুন দিদা নাতনির গল্প নিয়ে হাজির হচ্ছে পর্দা। বহু দিন পর সম্পূর্ণ ভিন্ন এক রূপে দর্শকের সামনে আসছেন শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়। মাথাভর্তি পাকা চুল, চোখে মোটা চশমা, পরনে সাদা কালো শাড়ি এই অনাড়ম্বর চেহারাতেই তিনি হয়ে উঠছেন গিরিজাবালা সান্যাল, যাঁর শান্ত স্বভাবের আড়ালে লুকিয়ে রয়েছে তীক্ষ্ণ বুদ্ধি আর গভীর পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা। আর তাঁর সঙ্গী হিসেবে দেখা যাবে তরুণী দিব্যাণী মণ্ডলকে, যিনি নাতনির চরিত্রে রহস্যভেদের যাত্রায় শামিল হবেন।

ডিজিটাল পর্দায় এই নতুন সিরিজ়ের নাম ঠাকুমার ঝুলি, যা মুক্তি পেতে চলেছে হইচই মঞ্চে। পরিচালনায় অয়ন চক্রবর্তী। নির্মাতাদের মতে, বাংলা গোয়েন্দা গল্পের চেনা ছক ভেঙে এই কাহিনি নতুন প্রজন্মের কাছে ভিন্ন স্বাদ নিয়ে ধরা দেবে।



গিরিজাবালা সান্যাল একা থাকেন বিষ্ণুপুরে। জীবনের পরপর আঘাত তাঁকে নিঃশব্দে শক্ত করে তুলেছে। স্বামী আর একমাত্র ছেলেকে হারানোর বেদনা তাঁকে ভেতরে ভেতরে আরও সংযত করেছে ঠিকই, কিন্তু তাঁর দৃষ্টিতে কোনও কিছুই সহজে এড়ায় না। তাঁর সঙ্গী তিনটি পোষ্য বিড়াল হরি, বেলা আর ফন্টে যাদের উপস্থিতিও গল্পে গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত হয়ে ওঠে।

এই নীরব জীবনে মোড় আসে যখন বিদেশফেরত নাতনি যাজ্ঞসেনী দেশে ফিরে আসে বন্ধুর বিয়েতে যোগ দিতে। অপরাধমনস্তত্ত্বের ছাত্রী যাজ্ঞসেনীর সামনে আচমকাই খুলে যায় এক অদ্ভুত রহস্যের দরজা। প্রভাবশালী পরিবারের বিয়ের মাঝেই বন্ধুর আকস্মিক মৃত্যু তাকে নাড়িয়ে দেয়। ঘটনাটিকে দুর্ঘটনা বলে মেনে নিতে নারাজ দিদা গিরিজাবালা প্রথমেই আঁচ করেন, এর আড়ালে রয়েছে গভীর অন্ধকার। নাতনির যুক্তিবাদী মন আর দিদার অভিজ্ঞ দৃষ্টি একসঙ্গে জুড়ে গিয়ে শুরু হয় এক অনন্য অনুসন্ধান যেখানে পারিবারিক সম্পর্কই হয়ে ওঠে রহস্যভেদের সবচেয়ে বড় শক্তি।



তারকাদের গ্ল্যামারের বাইরে এমন সংযত, বয়সী চরিত্রে শ্রাবন্তীর উপস্থিতি ইতিমধ্যেই কৌতূহল বাড়িয়েছে দর্শকদের মধ্যে। অন্যদিকে দিব্যাণীর প্রাণবন্ত উপস্থিতি এই দিদা নাতনির জুটিকে দিয়েছে নতুন ছন্দ। লোককথার আবহ, পারিবারিক আবেগ আর গোয়েন্দা উত্তেজনার মিশেলে এই সিরিজ়ে ধরা দিচ্ছে এক অন্যরকম বাংলা রহস্যজগৎ।

পিআর/টিএ


মন্তব্য করুন