© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

এক ভিন্ন তারেক রহমান! নজর কাড়ছেন জুবাইদা ও জাইমা

শেয়ার করুন:
এক ভিন্ন তারেক রহমান! নজর কাড়ছেন জুবাইদা ও জাইমা

ছবি: সংগৃহীত

সাব্বির আহমেদ , মোজো এডিটর-ইন-চিফ
১০:২৫ পিএম | ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
তারেক রহমান দেশে ফেরার পর থেকেই অগ্রাধিকার দিচ্ছেন পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে! নির্বাচনের দামামা আর দলীয় সভা-সমাবেশের ব্যস্ত শিডিউল থেকে সময় বের করে তিনি দাঁড়িয়েছেন অবহেলিত ও অনগ্রসর মানুষের পাশে। বগুড়ায় প্রতিবন্ধীদের সঙ্গে সময় কাটানো ঢাকায় যাইমা রহমান প্রতিবন্ধীদের সঙ্গে মতবিনিময় যা রাজনীতির বাইরে অন্যরকম দৃশ্যের অবতারণা করেছে।

নির্বাচনী জনসভায় তারেক রহমান যখন বগুড়ায় গিয়েছিলেন তখনও দেখা গেছে অনগ্রসর জনগোষ্ঠী নিয়ে বিশেষ অনুষ্ঠানে স্বস্ত্রিক তাকে । তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা জুবাইদা রহমানের পক্ষ থেকে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশু ও কিশোরদের মধ্যে হুইলচেয়ার বিতরণ করা হয়। এ আয়োজন করেন সিএসএফ গ্লোবালের চেয়ারম্যান সিরাজগঞ্জ ৬ থেকে নব নির্বাচিত সংসদ সদস্য ড. এম এ মুহিত। তিনি বিএনপির উচ্চশিক্ষিত পিএসজিধারী নির্বাচিত এমপিদের একজন। অবহেলিত, অনগ্রসর এবং প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীর কল্যাণ ও উন্নয়নে তার কার্যক্রম দেশে-বিদেশে বিস্তৃত।

বগুড়ায় হুইল চেয়ার বিতরণ ও প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীর সঙ্গে সময় কাটানো ছাড়াও ঢাকায় প্রতিবন্ধী বা বিশেষ চাহিদা সম্পন্নদের সঙ্গে সময় কাটিয়েছেন জাইমা রহমান ও। বিএনপি চেয়ারপারসন কন্যা ব্যারিস্টার জাইমাকে এখানে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ব্যক্তিদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হতে দেখা গেছে। যেখানে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা ২২ জন প্রতিবন্ধী ব্যক্তির সমস্যা ও অভিজ্ঞতা শোনেন। শিক্ষা ও কর্মক্ষেত্রে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন মানুষদের সমান অধিকার ও অ্যাক্সেস নিশ্চিত করার ওপর জোর দেন।


এদিকে বগুড়ায় ওই অনুষ্ঠানে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশু-কিশোরদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলছিলেন, ‘আমরা যদি সামাজিক, রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয়ভাবে এসব মানুষের পাশে দাঁড়াই, তবে আমি ব্যক্তিগতভাবে বিশ্বাস করি, বাংলাদেশ অনেক প্রতিভা বের করে আনতে পারবে, প্রতিভাবান মানুষকে বের করে আনতে পারবে। খুব বেশি কিছু করার দরকার হবে না, শুধু এই মানুষগুলোকে সুযোগ করে দেওয়া, যাতে তারা আর দশজনের মতো দুনিয়ার আলো–বাতাসে ভালোভাবে, স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করতে পারে। খুব বেশি কিছু নয়, ন্যূনতম ব্যবস্থা করা এই মানুষগুলো যাতে নিজেদের প্রতিভা বিকশিত করতে পারে, সেই সুযোগ তাদের তৈরি করে দিতে হবে। কারণ, তারাও মানুষ, তারা আমাদের বাইরে নয়, তারাও আমাদের ভেতরের মানুষ। আমাদের পরিবারের কাউকে না কাউকে সেই দায়িত্ব নেওয়া উচিত।’


বগুড়ায় বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশু ও কিশোরদের জন্য হুইলচেয়ার বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজক নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ড. এম এ মুহিত বাংলাদেশ টাইমসকে জানান , দীর্ঘ প্রবাস জীবন শেষে দেশে ফিরেই কেবল রাজনীতি নয়, বরং আর্তমানবতার সেবায় মনোনিবেশ করেছেন তারেক রহমান ও তার পরিবার। সমাজে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জীবন মান উন্নয়নের কাজ করা বিএনপি'র অঙ্গীকারের মধ্যে আছে। সমাজের মূল স্রোতে তাদেরকে নিয়ে এসে দক্ষতা এবং মেধা বিকাশে সুযোগ তৈরি করে দিতে চায় বিএনপি। 

এ সময় তিনি আরো জানান, তার প্রতিষ্ঠিত সিএসএফ গ্লোবাল, নতুন প্রজন্মের স্বাস্থ্যসেবা ও আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর সমাজসেবা তথা পিছিয়ে পড়া প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠী নিয়ে দেশে-বিদেশে কাজ করছে।

ড. মুহিত লন্ডন স্কুল অফ হাইজিন থেকে পিএইচডি এবং ইউসিএল থেকে এমএসসি করা একজন আন্তর্জাতিক মানের গবেষক। একই সঙ্গে মানবতার সেবক হিসেবে পরিচিত। তিনি হাজার হাজার মানুষের চোখের আলো ফিরিয়ে দেওয়ার এক বিশাল কর্মযজ্ঞের নায়ক। ৪টি দেশে তিনি সমাজসেবামূলক কাজ এবং বাংলাদেশে ১১টি চক্ষু হাসপাতাল ও মা-শিশু হাসপাতাল পরিচালনা করছেন। এছাড়া ২৮টি দেশের ৮০টি আন্তর্জাতিক সংস্থার একটি বিশাল নেটওয়ার্কের (GLM-CPR) নীতিনির্ধারক হিসেবে তাঁর রয়েছে বিরল প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা।

মন্তব্য করুন