© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

এপস্টেইনের কর্মকাণ্ড ‘মানবতাবিরোধী অপরাধ’: জাতিসংঘ

শেয়ার করুন:
এপস্টেইনের কর্মকাণ্ড ‘মানবতাবিরোধী অপরাধ’: জাতিসংঘ

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
১০:১৮ এএম | ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রে দণ্ডিত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইনের মাধ্যমে সংঘটিত কর্মকাণ্ড ‘মানবতাবিরোধী অপরাধ’। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) জাতিসংঘের মানবাধিকার বিশেষজ্ঞদের একটি দল এমন মন্তব্য করেছে।

বিচার বিভাগের নির্দেশে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের প্রকাশিত ৩৫ লাখ নথির প্রেক্ষিতে জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদ (ইউএনএইচআরসি)–নিযুক্ত স্বাধীন বিশেষজ্ঞ দল এসব বলেছেন। প্রকাশিত নথিগুলো হচ্ছে এপস্টেইনের বিরুদ্ধে পরিচালিত ফৌজদারি তদন্তসংক্রান্ত।

বিশেষজ্ঞরা বলেন, প্রকাশিত রেকর্ডগুলোতে নারীদের ও কিশোরীদের প্রতি অমানবিক আচরণ, বর্ণবাদ ও প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির চিত্র উঠে এসেছে।

তাদের ভাষ্য মতে, নারী ও কিশোরীদের বিরুদ্ধে এসব অপরাধের ব্যাপকতা, প্রকৃতি, পদ্ধতিগত চরিত্র এবং আন্তঃরাষ্ট্রীয় বিস্তৃতি এতটাই গুরুতর যে, এর একটি অংশ যুক্তিসংগত মানবতাবিরোধী অপরাধের আইনি সীমা পূরণ করতে পারে।

ইউএনএইচআরসি প্যানেল এপস্টেইন ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের পূর্ণাঙ্গ তদন্তের আহ্বান জানিয়েছে। তাদের সহযোগীদের মধ্যে বৈশ্বিক রাজনীতি, ব্যাবসা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি অঙ্গনের প্রভাবশালী ব্যক্তিরাও রয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

তাদের মতে, “‘এপস্টেইন ফাইলস’-এ থাকা সব অভিযোগই অত্যন্ত গুরুতর। এসব বিষয়ে স্বাধীন, পূর্ণাঙ্গ ও নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন, পাশাপাশি কীভাবে এত দীর্ঘ সময় ধরে এসব অপরাধ সংঘটিত হতে পেরেছে, তা খতিয়ে দেখা জরুরি।”

গত ৩০ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র সরকার এপস্টেইন-সংক্রান্ত প্রায় ৩৫ লাখ পৃষ্ঠার নথি প্রকাশ করে। নভেম্বর মাসে স্বাক্ষরিত দ্বিদলীয় আইন ‘এপস্টেইন ফাইলস ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্ট’-এর অধীনে এসব নথি প্রকাশ বাধ্যতামূলক ছিল।

আইন অনুযায়ী, ৩০ দিনের মধ্যে অনুসন্ধান যোগ্য ফরম্যাটে সব নথি প্রকাশ করার কথা ছিল এবং কেবল ভুক্তভোগীদের গোপনীয়তা রক্ষার্থে সীমিত সম্পাদনা (রেডাকশন) করার অনুমতি দেওয়া হয়। তবে নির্ধারিত সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও সম্পূর্ণ নথি প্রকাশ হয়নি। এছাড়া মার্কিন সরকারের কাছে আরও ৬০ লাখের বেশি নথি থাকতে পারে।

নতুন প্রকাশিত নথিতে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সঙ্গে এপস্টেইনের সম্পর্কের নতুন তথ্য উঠে এলেও খুব কম ব্যক্তিই জবাবদিহিতার মুখোমুখি হয়েছেন।

২০১৯ সালে ফেডারেল অভিযোগের মুখে কারাগারে থাকা অবস্থায় তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে সরকারি তথ্য প্রকাশিত হয়। তবে অনেকের দাবি, তাকে হত্যা করা হয়েছে।


টিজে/এসএন  

মন্তব্য করুন