© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

প্রথম দিনই ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর ৯ কর্মসূচির ঘোষণা

শেয়ার করুন:
প্রথম দিনই ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর ৯ কর্মসূচির ঘোষণা

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৯:৪৮ পিএম | ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
গতকাল বিকেলে নতুন সরকারের মন্ত্রীগণ শপথ গ্রহণ করেছেন। আজই প্রথম সচিবালয়ে অফিস করেছেন তারা। প্রথম দিনে সাধারণত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে মত বিনিময় বা কুশলাদি হয়ে থাকে। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক নিজের প্রথম কার্য দিবসে মন্ত্রণালয় থেকে নয়টি কর্মসূচি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছেন। ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের কোন প্রতিষ্ঠান কোনটা বাস্তবায়ন করবে সেই তালিকাও প্রকাশ করা হয়েছে।

সাবেক জাতীয় ফুটবলার আমিনুল হক গত দেড় বছর থেকেই ক্রীড়াঙ্গন নিয়ে তার স্বপ্নের কথা বলে আসছিলেন। তার দল বিএনপির ইশতেহারেও ক্রীড়াঙ্গনের প্রতিফলন ছিল। আজ প্রথম কর্ম দিবসেই তিনি তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের আনুষ্ঠানিক পদক্ষেপ নিয়েছেন। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীনে আছে চারটি ক্রীড়া সংস্থা জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ, ক্রীড়া পরিদপ্তর, বিকেএসপি, ক্রীড়া কল্যাণসেবী ফাউন্ডেশন। ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর নয়টি কর্মসূচি এই চার অধীনস্থ সম্বলিতভাবে বাস্তবায়নের আনুষ্ঠানিক সূচি প্রকাশ করেছে। ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুব আলম ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর লক্ষ্য বাস্তবায়নের অধীনস্ত প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব বন্টনের চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন।

ফুটবল, ক্রিকেটের বাইরে দেশের অন্য সকল খেলোয়াড়রা তেমন সুযোগ-সুবিধা পান না। এজন্য তিনি জাতীয় দলে সকল খেলোয়াড়কে বেতনের আওতায় আনতে চান এবং খেলাকে পেশা হিসেবে স্বীকৃতি প্রদানের চেষ্টা করছেন। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে কাজ করবে ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের ক্রীড়া অনুবিভাগ-১ ও ২ , জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ ও বিকেএসপি। চতুর্থ শ্রেনী থেকে খেলাধূলা বাধ্যতামূলক করার বিষয়টি এই তিন প্রতিষ্ঠান মিলে তদারকি করবে।



খেলাধূলার জন্য প্রয়োজন সরঞ্জাম। বাংলাদেশ অধিকাংশ সরঞ্জাম বিদেশ থেকে আনে। দেশে সেই সরঞ্জাম তৈরি এবং সামনে রপ্তানির পরিকল্পনা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে কাজ করবে মন্ত্রণালয় ও ক্রীড়া পরিদপ্তর। খেলোয়াড়দের প্রশিক্ষণ ও খেলার জন্য প্রয়োজন অর্থ দেবে। ফেডারেশনকে সরকার থেকে তেমন আর্থিক অনুদান দেয়া হয় না। পৃষ্ঠপোষকরাও সেভাবে ফেডারেশনের পাশে দাঁড়ায় না। নতুন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বিভিন্ন ব্যাংক ও কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানকে একেকটি খেলা কিংবা ফেডারেশনের সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনা করেছেন। এই দায়িত্ব বাস্তবায়ন করবে মন্ত্রণালয় ও জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ।

খেলাকে একেবারে তৃণমূল পর্যায়ে নিতে চান ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী। এজন্য উপজেলা পর্যায়ে ক্রীড়া অফিস স্থাপন ও ক্রীড়া অফিসার নিয়োগ করতে হবে। ক্রীড়া পরিদপ্তর এই বিষয়টি দেখভাল করবে। ৬৪ জেলায় ইনডোর ভিলেজ স্থাপনের দায়িত্ব বর্তেছে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানরে কাছে।

গতকাল শপথ নেয়ার পর মিরপুর পল্লবীস্থ নিজ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন আমিনুল। সেখানে তিনি বলেছিলেন ক্রীড়া উন্নয়নে সবার সম্মিলিত সহযোগিতা প্রয়োজন। সবার আগে তিনি ক্রীড়া সাংবাদিকদের সঙ্গে বসতে চান। কথা মোতাবেকই কাজ করেছেন। আগামী রোববার দুপুরে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে মত বিনিময় করবেন। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পরিচালক (ক্রীড়া) আমিনুল এহসান এই সংক্রান্ত চিঠি তিন ক্রীড়া সাংবাদিক সংগঠনকে প্রেরণ করেছেন আজ বিকেলে।

এসকে/টিএ

মন্তব্য করুন