© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

ট্রাম্পের সভাপতিত্বে শুরু হচ্ছে বোর্ড অব পিসের বৈঠক

শেয়ার করুন:
ট্রাম্পের সভাপতিত্বে শুরু হচ্ছে বোর্ড অব পিসের বৈঠক

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৭:৪৭ পিএম | ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
ফিলিস্তিনের যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা উপত্যকার পুনর্গঠনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতাদের নিয়ে গঠিত বোর্ড অপ পিসের প্রথম বৈঠক শুরু হচ্ছে। বৃহস্পতিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সভাপতিত্বে ওই বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। গাজার ভবিষ্যৎ নিয়ে বহু অমীমাংসিত প্রশ্ন ঝুলে থাকা অবস্থায় অনুষ্ঠেয় ওই বৈঠকে ৪৫টিরও বেশি দেশের প্রতিনিধিদের অংশ নিতে পারেন।

গাজায় যুদ্ধে ভুক্তভোগী জনগণের জন্য মানবিক সহায়তার প্রবাহ, পুনর্গঠন তহবিলের পরিমাণ এবং হামাস যোদ্ধাদের নিরস্ত্রীকরণ ও এর সঙ্গে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের মতো বিভিন্ন ইস্যু আগামী কয়েক সপ্তাহে বোর্ডটির কার্যকারিতা যাচাইয়ের ক্ষেত্রে বড় প্রশ্ন হিসেবে দেখা দেবে।

সম্প্রতি ওয়াশিংটনে অবস্থিত ইউএস ইনস্টিটিউট অব পিসের নাম পরিবর্তন করে নিজের নামে রেখেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইনস্টিটিউট অব পিসে বৃহস্পতিবার উপস্থিত অতিথিদের উদ্দেশে বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে ট্রাম্পের। সেখানে অংশগ্রহণকারী দেশগুলো গাজা পুনর্গঠন তহবিলের জন্য ৫ বিলিয়ন ডলার সংগ্রহ করেছে বলেও ঘোষণা দেবেন তিনি।

এই অর্থকে এমন এক তহবিলের প্রাথমিক কিস্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে, যার জন্য ভবিষ্যতে আরও বহু বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন হতে পারে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন একজন কর্মকর্তা বলেছেন, এই ৫ বিলিয়ন ডলারের মধ্যে ওয়াশিংটনের উপসাগরীয় আরব মিত্রদের মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং কুয়েতের ১ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার করে দেওয়ার কথা রয়েছে।

ট্রাম্পের বোর্ড অব পিসে ইসরায়েল অন্তর্ভুক্ত থাকলেও ফিলিস্তিনি প্রতিনিধিরা নেই। গাজার বাইরেও বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এই বোর্ড ভবিষ্যতে ভূমিকা নিতে পারে বলে ট্রাম্পের দেওয়া প্রস্তাব নিয়ে ইতোমধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। নতুন এই সংস্থা বৈশ্বিক কূটনীতি ও সংঘাত নিরসনের প্রধান মঞ্চ জাতিসংঘের কার্যকারিতাকে দুর্বল করে ফেলতে পারে বলেও অনেকে আশঙ্কা করছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা বলেছেন, কয়েকটি দেশ থেকে গাজায় গাজায় হাজার হাজার সেনা পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে; যারা একটি আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনীতে অংশ নেবেন। এই বাহিনী গাজায় মোতায়েন করা হলে তা শান্তি বজায় রাখতে সহায়তা করবে।

সূত্র: রয়টার্স

এমআর/টিএ 

মন্তব্য করুন