নির্বাচনী ভাতা কর্তনের ব্যাখ্যা দিলেন ইউএনও
ছবি: সংগৃহীত
০৩:৫৭ এএম | ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬-এ দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তাদের সম্মানি থেকে জনপ্রতি ২০০ টাকা কর্তনের অভিযোগ উঠেছে। তবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মোনাব্বর হোসেন দাবি করেছেন, কর্তনটি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের বিধান অনুসারে সম্পূর্ণ নিয়মতান্ত্রিকভাবে করা হয়েছে।
জানা যায়, ৫ ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত তারাগঞ্জ উপজেলায় ৪৩টি ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করেন ৪৩ জন প্রিজাইডিং অফিসার, ২৪৪ জন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং ৪৮৮ জন পোলিং অফিসার। প্রিজাইডিং অফিসারদের ৮ হাজার টাকা সম্মানি থেকে ১০ শতাংশ উৎস কর কেটে ৭ হাজার ২০০ টাকা দেওয়া হয়। একইভাবে সহকারী প্রিজাইডিং অফিসাররা ৬ হাজার টাকা থেকে ১০ শতাংশ কেটে ৫ হাজার ৪০০ টাকা এবং পোলিং অফিসাররা ৪ হাজার টাকা থেকে ১০ শতাংশ কেটে ৩ হাজার ৬০০ টাকা পান।
এছাড়া প্রত্যেকের জন্য ১ হাজার টাকা যাতায়াত ভাতা বরাদ্দ ছিল। সেখান থেকে ১৫ শতাংশ ভ্যাট ও ৫ শতাংশ আয়কর মিলিয়ে মোট ২০ শতাংশ (২০০ টাকা) কর্তন করা হয়। মাস্টার রোলে এ কর্তনের বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে এবং ভাতাগ্রহীতাদের স্বাক্ষরও নেওয়া হয়েছে।
ইউএনও জানান, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের আয়কর অধ্যাদেশ ১৯৮৪ ও ভ্যাট আইন ২০২৩ অনুযায়ী এ কর্তন করা হয়েছে। সরকারি আর্থিক বিধান অনুযায়ী সম্মানিতে ১০ শতাংশ আয়কর এবং পরিবহন ব্যয়ে ভ্যাট ও আয়কর প্রযোজ্য।
দেরিতে টাকা জমা দেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, হিসাব-নিকাশ শেষে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই ১৭ ফেব্রুয়ারি ব্যাংকিং সময়ে ভ্যাট ও আয়করের অর্থ জমা দেওয়া হয়েছে। কোনো অনিয়ম হয়নি বলেও তিনি দাবি করেন।
আরআই/টিএ