জন্মদিনে ফিরে দেখা প্রয়াত জিয়া খানের অজানা শৈশব
ছবি: সংগৃহীত
১১:৪৩ এএম | ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
২০ ফেব্রুয়ারি প্রয়াত অভিনেত্রী জিয়া খান-এর জন্মদিন। বলিউডে তাঁর সংক্ষিপ্ত কিন্তু আলোচিত যাত্রাপথের পাশাপাশি ব্যক্তিজীবন, বিশেষ করে শৈশব ও পারিবারিক সম্পর্ক নিয়ে বারবার প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছিল তাঁকে। তবে কোনও প্রশ্নেই রাখঢাক করেননি এই অভিনেত্রী। স্পষ্ট ও নির্ভীকভাবেই জানিয়েছেন নিজের অভিজ্ঞতার কথা।
নিউ ইয়র্কে জন্ম নেওয়া জিয়া বড় হয়েছেন লন্ডনে। খুব ছোট বয়সেই বাবা-মায়ের বিচ্ছেদ ঘটে। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, মাত্র তিন মাস বয়সে তাঁর বাবা তাঁদের ছেড়ে চলে যান।
বাবাকে তিনি চিনতেন না, এমনকি তাঁকে জানার আগ্রহও ছিল না বলে সোজাসাপ্টা জানিয়েছিলেন অভিনেত্রী। তাঁর কথায়, বাবার নাম ছাড়া আর কিছুই তিনি জানেন না। বাবার নাম আলি রিজভি খান, তিনি নিউ ইয়র্কে থাকেন এই তথ্যটুকুই তাঁর জানা ছিল। জিয়ার দাবি, তাঁর বাবা কখনও যোগাযোগের চেষ্টা করেননি, তিনিও সেই চেষ্টা করেননি।

চলচ্চিত্রজগতে জিয়ার অভিষেক ঘটে নিঃশব্দ ছবির মাধ্যমে। সেখানে অমিতাভ বচ্চন-এর সঙ্গে তাঁর অভিনয় দর্শকের নজর কেড়েছিল। ছবিটি মুক্তির পর তাঁদের সমীকরণ নিয়ে নানা আলোচনা হয়।
পরবর্তীকালে অভিনেতা সূরজ পঞ্চোলী-র সঙ্গে জিয়ার সম্পর্কও বলিপাড়ায় চর্চার বিষয় হয়ে ওঠে। ২০১৩ সালে জিয়ার আকস্মিক মৃত্যুকে ঘিরে তৈরি হয় ব্যাপক বিতর্ক। সেই ঘটনায় সূরজের নামও উঠে আসে এবং আইনি জটিলতায় জড়াতে হয় তাঁকে। মেয়ের মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধানে দীর্ঘ লড়াই চালিয়েছেন জিয়ার মা জ়ারিনা ওয়াহাব।
ব্যক্তিগত জীবনের নানা আঘাত সত্ত্বেও জিয়া কখনও নিজের অতীত লুকিয়ে রাখেননি। ছোটবেলার বেদনাদায়ক অভিজ্ঞতা নিয়েও তিনি প্রকাশ্যে কথা বলেছেন। জন্মদিনে তাঁকে স্মরণ করতে গিয়ে আবারও সামনে আসে সেই অকপট স্বীকারোক্তি ও তাঁর সাহসী মনোভাব।
এমকে/এসএন