এশিয়ান আরচ্যারিকে কাতার অলিম্পিকের কোটি টাকা অনুদান
ছবি: সংগৃহীত
০১:০৮ পিএম | ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
অলিম্পিকের অন্যতম ডিসিপ্লিন আরচ্যারি। বাংলাদেশ টানা দুই বার অলিম্পিকে সরাসরি আরচ্যারি ডিসিপ্লিনে খেলেছে। মাঠের মতো মাঠের বাইরেও আরচ্যারিতে এগিয়ে চলছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ আরচ্যারি ফেডারেশনের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক কাজী রাজিব উদ্দিন আহমেদ চপল এখন এশিয়ান আরচ্যারি ফেডারেশনের সভাপতি। তার অধীন সংস্থাটিকে আড়াই কোটি টাকা অনুদান দিয়েছে কাতার অলিম্পিক কমিটি।
কাতার অলিম্পিক কমিটির সভাপতি শেখ জোয়াদ বিন হামাদ আল থানির কাছ থেকে আর্থিক অনুদান পাওয়ার কথা জানিয়েছেন এশিয়ান আরচ্যারি ফেডারেশনের সভাপতি চপল। তিনি কাতার থেকে ফিরে বলেন, ‘অলিম্পিক কাউন্সিল অব এশিয়ার নবনির্বাচিত সভাপতি উজবেকিস্তানের কংগ্রেসে এশিয়ান আরচ্যারির পাশে থাকার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছিলেন। এরপর আমাকে কাতার সফরের আমন্ত্রণ জানান। সম্প্রতি কাতার সফরে তিনি এশিয়ান আরচ্যারি ফেডারেশনকে ২ লাখ ৭ হাজার ডলার অনুদান দিয়েছেন। যা এশিয়ান আরচ্যারির প্রশাসনিক ও উন্নয়ন খাতে ব্যয় হবে।’

কাতার বিশ্বের অন্যতম ধনী দেশ। ক্রীড়া খাতে তারা অনেক দেশকে সাহায্য-সহযোগিতা করে। বাফুফে কাতার ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের মাধ্যমে জাতীয় দলের অনুশীলনের ব্যবস্থা করেছিল একাধিকবার। অন্য ফেডারেশনগুলোরও সম্পর্ক উন্নয়নের মাধ্যমে কাতারের মাধ্যমে সহযোগিতা প্রাপ্তির সুযোগ থাকলেও সেভাবে কাজে লাগাতে পারে না।
এশিয়ান আরচ্যারির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এতদিন ছিলেন কোরিয়ানদের অধীনে। কোরিয়াতে ছিল এশিয়ান আরচ্যারির কার্যালয়। কোরিয়ান প্রার্থীকে হারিয়ে বাংলাদেশের চপল সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। এশিয়ান আরচ্যারির সাধারণ সম্পাদক মনোনীত হয়েছে কাতার থেকে। তাই কাতারের দোহা ও ঢাকা উভয় জায়গায় এশিয়ান আরচ্যারি কার্যালয় থাকছে। কাতার অলিম্পিকের সভাপতি শেখ জোয়াদ এশিয়ান আরচ্যারি ফেডারেশনকে আর্থিকের পাশাপাশি টেকনিক্যালও সব ধরনের সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দিয়েছে।
দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে ভারত ও বাংলাদেশ আরচ্যারিতে উন্নত। ভুটানে জাতীয় খেলা হলেও বাংলাদেশ-ভারতের চেয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পিছিয়ে। এশিয়ায় পিছিয়ে পড়া ও সম্ভাবনাময় দেশগুলোকে টার্গেট করেছেন এশিয়ান আরচ্যারি ফেডারেশনের সভাপতি কাজী রাজিব উদ্দিন আহমেদ চপল, ‘কোরিয়া, ভারতসহ এশিয়ার কয়েকটি দেশ বিশ্ব পর্যায়ে পদকের লড়াই করে। আমাদের লক্ষ্য থাকবে আরচ্যারিতে উন্নয়নশীল দেশগুলো যেন সামনে এশিয়ান পর্যায়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারে। সম্প্রতি শ্রীলঙ্কায় ক্রীড়ামন্ত্রীর সঙ্গে আরচ্যারির উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হয়েছে এবং লঙ্কান আরচ্যারির পাশে থাকবে এশিয়ান আরচ্যারি।’
আরআই/টিএ