© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

আদালতের রায়ে ক্ষুব্ধ হয়ে বৈশ্বিক শুল্কহার ১৫ শতাংশ করার ঘোষণা ট্রাম্পের

শেয়ার করুন:
আদালতের রায়ে ক্ষুব্ধ হয়ে বৈশ্বিক শুল্কহার ১৫ শতাংশ করার ঘোষণা ট্রাম্পের

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
১২:৩৫ এএম | ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
সুপ্রিম কোর্টে বড় ধাক্কা খাওয়ার একদিনের মাথায় বৈশ্বিক শুল্কহার ১০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করার ঘোষণা দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল-এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ সিদ্ধান্তের কথা জানান।

ট্রাম্প তার পোস্টে সুপ্রিম কোর্টের সাম্প্রতিক রায়কে ‘হাস্যকর, দুর্বলভাবে লিখিত এবং আমেরিকাবিরোধী’ বলে আখ্যা দেন। তিনি দাবি করেন, বহু মাসের পর্যালোচনার পর তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তার ভাষায়, যুক্তরাষ্ট্রকে বহু দশক ধরে বিভিন্ন দেশ ‘ঠকিয়ে’ এসেছে। সে কারণে অবিলম্বে কার্যকরভাবে ১০ শতাংশ বৈশ্বিক শুল্ক বাড়িয়ে আইনগতভাবে অনুমোদিত ১৫ শতাংশে উন্নীত করা হচ্ছে।

প্রেসিডেন্ট আরও জানান, আগামী কয়েক মাসের মধ্যে তার প্রশাসন নতুন ও আইনসম্মত শুল্ক কাঠামো নির্ধারণ ও জারি করবে। এর মাধ্যমে ‘মেকিং আমেরিকা গ্রেট এগেইন’ কর্মসূচিকে আরও এগিয়ে নেওয়া হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

সুপ্রিম কোর্টের রায়ে বড় ধাক্কা

এর আগে শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট ট্রাম্প প্রশাসনের আরোপিত ব্যাপক শুল্ক বাতিল করে দেয়। আদালত রায়ে জানায়, জাতীয় জরুরি অবস্থার জন্য নির্ধারিত ক্ষমতা ব্যবহার করে প্রেসিডেন্ট তার সাংবিধানিক এখতিয়ার অতিক্রম করেছেন।

আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, প্রশাসন যে আইন ব্যবহার করে শুল্ক আরোপ করেছিল, তা মূলত অস্বাভাবিক জাতীয় জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োগের জন্য প্রণীত। কিন্তু সেই আইনের আওতায় বিস্তৃত বাণিজ্য শুল্ক আরোপ করায় তা প্রেসিডেন্টের ক্ষমতার সীমা ছাড়িয়ে গেছে।

আইইইপিএ আইন নিয়ে প্রশ্ন

ট্রাম্প প্রশাসন শুল্ক আরোপে ‘ইন্টারন্যাশনাল ইমার্জেন্সি ইকোনমিক পাওয়ারস অ্যাক্ট (IEEPA)’ ব্যবহার করেছিল। এই আইন সাধারণত জাতীয় নিরাপত্তা বা জরুরি অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় প্রয়োগ করা হয়। তবে সুপ্রিম কোর্ট মনে করেছে, বাণিজ্য নীতিতে এ ধরনের ব্যাপক শুল্ক আরোপের ক্ষেত্রে এই আইন প্রযোজ্য নয়।

সুপ্রিম কোর্টের এ রায়কে ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে। যদিও প্রেসিডেন্টের নতুন ঘোষণার ফলে বাণিজ্য নীতিতে আবারও অনিশ্চয়তা তৈরি হতে পারে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।

এসকে/টিএ

মন্তব্য করুন