সুস্থভাবে রোজা রাখতে ডায়াবেটিক রোগীদের করণীয়
ছবি: সংগৃহীত
০৭:৩৯ এএম | ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
রমজান মাসে ডায়াবেটিক রোগীদের রোজা রাখার ক্ষেত্রে বিশেষ সাবধানতা প্রয়োজন। নিয়ম মেনে চললে অসুস্থতা এড়িয়ে সুস্থভাবে রোজা রাখা সম্ভব। চলুন, জেনে নিই সহজ কিছু পরামর্শ।
সেহরিতে যা করবেন
শেষ সময়ে সেহরি : সেহরি একদম শেষ সময়ের কাছাকাছি সময়ে করুন।
এতে সারা দিন শরীর ক্লান্ত হবে না এবং সুগার কমে যাওয়ার ভয় থাকবে না।
সঠিক খাবার : লাল চালের ভাত, লাল আটার রুটি বা ওটস খান। সঙ্গে মাছ, মাংস, ডাল এবং প্রচুর শাকসবজি রাখুন। সম্ভব হলে এক গ্লাস দুধ খেতে পারেন।
ইফতারে যা করবেন
শুরুটা হোক খেজুর দিয়ে : একটি খেজুর দিয়ে ইফতার শুরু করুন (কিডনি সমস্যা থাকলে খেজুর এড়িয়ে চলুন)।
ভাজাপোড়া বর্জন : বেগুনি বা চপ জাতীয় ভাজাপোড়া ও মিষ্টি খাবার এড়িয়ে চলাই ভালো। এর বদলে চিড়া, মুড়ি, টক দই বা ডাবের পানি খেতে পারেন।
বেশি পানি পান : ইফতারের পর থেকে সেহরি পর্যন্ত পর্যাপ্ত পানি পান করুন যাতে শরীরে পানির অভাব না হয়।
ওষুধ ও চেকআপ
সুগার মাপা : রোজার সময় নিয়মিত মেশিনে রক্তে সুগারের মাত্রা পরীক্ষা করুন। মাত্রা খুব বেশি বা কম মনে হলে দ্রুত ব্যবস্থা নিন।
ডাক্তারের পরামর্শ : রোজা শুরুর আগেই ইনসুলিন বা ওষুধের ডোজ এবং সময় সম্পর্কে আপনার ডাক্তারের সাথে কথা বলে নিন। সাধারণত সকালের ওষুধ ইফতারে এবং রাতের ওষুধ সেহরিতে খেতে হয়।
শারীরিক পরিশ্রম
তারাবিহ নামাজ পড়লে আলাদা করে ব্যায়ামের প্রয়োজন হয় না।
তবে রোজা রেখে খুব বেশি পরিশ্রমের কাজ করবেন না। রক্তে সুগারের মাত্রা অস্বাভাবিক কমে গেলে বা শরীর খুব বেশি খারাপ লাগলে দেরি না করে রোজা ভেঙে ফেলা এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
এবি/টিএ
এবি/টিএ