© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

রমজানে কোন ৪ আমল বেশি বেশি করবেন?

শেয়ার করুন:
রমজানে কোন ৪ আমল বেশি বেশি করবেন?

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৪:৩৯ পিএম | ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
রমজান মাস রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের বার্তা নিয়ে প্রতি বছর মুসলমানদের দ্বারে উপস্থিত হয়। এই মাসে একটি নেক আমলের সওয়াব অন্য সময়ের তুলনায় বহুগুণ বৃদ্ধি করা হয় বলে ইসলামি চিন্তাবিদরা উল্লেখ করেছেন। তাই আত্মশুদ্ধি ও আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য রমজানকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন আলেমরা।

ধর্মীয় বিশ্লেষকদের মতে, রমজানে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া উচিত কোরআন তিলাওয়াতে। কারণ এই মাসেই মহাগ্রন্থ আল কোরআন নাজিল হয়েছে। ফলে কোরআন পাঠ, তার অর্থ বোঝার চেষ্টা এবং সে অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করা রোজাদারের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। মসজিদগুলোতে তারাবির নামাজে খতমে কোরআনের আয়োজনও সেই গুরুত্বেরই প্রতিফলন।

এর পাশাপাশি ফরজ নামাজের সঙ্গে নফল নামাজ ও তাহাজ্জুদ আদায়ে মনোযোগী হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে রাতের শেষ প্রহরে আল্লাহর দরবারে কান্নাকাটি করে দোয়া করা এবং ক্ষমা প্রার্থনা করা অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ আমল হিসেবে বিবেচিত। রমজানের শেষ দশকে লাইলাতুল কদরের সন্ধান করা এবং ইতিকাফে বসা ঈমানদারদের জন্য বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।

রমজানকে দোয়া কবুলের মাস বলা হয়। তাই ব্যক্তিগত জীবন, পরিবার ও সমগ্র উম্মাহর কল্যাণ কামনায় বেশি বেশি দোয়া ও ইস্তেগফার করার তাগিদ দিয়েছেন ধর্মীয় ব্যক্তিত্বরা। অতীতের গুনাহ থেকে ক্ষমা প্রার্থনার মাধ্যমে আত্মাকে পরিশুদ্ধ করার এ এক অনন্য সুযোগ।

এ ছাড়া দান-সদকা ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো রমজানের অন্যতম শিক্ষা। সামর্থ্য অনুযায়ী জাকাত আদায়, দরিদ্রদের ইফতার করানো এবং অভাবগ্রস্তদের সহায়তা করার মাধ্যমে সামাজিক ভ্রাতৃত্ব ও সহমর্মিতা জোরদার হয়। ইসলামের দৃষ্টিতে মানবসেবাও এক ধরনের ইবাদত, যা রমজানে বিশেষ মর্যাদা লাভ করে।

সব মিলিয়ে রমজান কেবল উপবাসের মাস নয়, বরং আত্মসংযম, ইবাদত ও মানবতার চর্চার মাস। সঠিকভাবে আমল করতে পারলে এই মাসই হতে পারে জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার সুযোগ।

এমকে/টিএ

মন্তব্য করুন