© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

রাজধানীতে এক মাসে মশা বেড়েছে ৪০ শতাংশ, স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে বাসিন্দারা

শেয়ার করুন:
রাজধানীতে এক মাসে মশা বেড়েছে ৪০ শতাংশ, স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে বাসিন্দারা

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০২:১০ পিএম | ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
মশার বাড়বাড়ন্ত এখন পৌঁছে গেছে ধৈর্যের শেষ সীমায়। গত এক মাসে রাজধানীতে ৪০ শতাংশ মশা বৃদ্ধির তথ্য ওঠে এসেছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায়। তাই আগামী এক মাসের মধ্যে এ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে পরিণতি হবে ভয়াবহ।

এদিকে, এক ঘণ্টায় কামড়াতে আসা মশার সংখ্যা এক মাসে বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ। ঘণ্টায় মাত্র পাঁচটি মশা কামড়াতে এলেই সেটি বিশ্বমান অনুযায়ী, বেশ ক্ষতিকর হিসেবে ধরা হয়। সেখানে বাংলাদেশে এই সংখ্যা ৮৫০। ফলে স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে আছে দেশের মানুষ।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হঠাৎ মশার এমন বৃদ্ধির পেছনে মোটাদাগে কাজ করছে ২টি কারণ।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কীটতত্ত্ববিদ কবিরুল বাশার বলেছেন, উপযুক্ত তাপমাত্রা, পর্যাপ্ত পরিমাণ খাবার পানিতে থাকা এবং ড্রেন-ডোবা নর্দমাগুলো আটকে থাকার কারণে একসাথে প্রচুর পরিমাণে কিউলেক্স মশার লার্ভা থেকে এখন পূর্ণাঙ্গ মশা বেরিয়ে আসছে। লার্ভিসাইড ছাড়া এই মুহূর্তে ফগিং করে মশা নিয়ন্ত্রণ করা খুব বেশি সহজ নয়।

কিন্তু মশানিধনের কাজ করবে যারা, সেই সিটি করপোরেশনের উদ্যোগ নিয়ে প্রতিবছরই থাকে প্রশ্ন। তবে কর্তৃপক্ষ বলছে, মশা নিধন নিয়ে নতুন করে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। বিভিন্ন স্থান থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে মশক নিধন ওষুধের নমুনাও। আগামী ১০-১৫ দিনের মধ্যে মশার প্রভাব কমে আসবে বলেও আশাবাদী সিটি করপোরেশন।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মো. মাহাবুবুর রহমান তালুকদার বলেন, না জানিয়ে মাঠে গিয়ে যারা স্প্রে করছে, তাদের কাছ থেকে স্যাম্পল সংগ্রহ করেছি। এটা ল্যাবে পাঠাবো, সেখানে পাঠানোর পরে টেস্ট রিপোর্ট এবং আমরা যখন ওষুধটা ক্রয় করি, ওই দুইটা রিপোর্টকে মিলিয়ে। দেখবো যে আসলে কোনো অসামঞ্জস্যতা আছে কি না।

টিজে/টিকে  

মন্তব্য করুন