কেন আক্ষেপের সুর অভিনেতা ভাস্বরের গলায়?
ছবি: সংগৃহীত
০৫:৫৯ পিএম | ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
২৮ বছরের অভিনয় জীবনে ধারাবাহিক থেকে সিনেমা সব ক্ষেত্রেই ভাস্বর চট্টোপাধ্যায় কে দেখেছেন দর্শকরা। বহু প্রবাদপ্রতিম শিল্পীর সান্নিধ্যে এসে কাজ করেছেন তিনি, এবার ফের দেখা হলো বাংলা চলচ্চিত্রের স্বর্ণযুগের অভিনেত্রী ভারতী দেবীর সঙ্গে।
ভাস্বর স্মরণ করেন, ‘‘আলো’ ছবির শুটিংয়ে প্রথম দেখা বোলপুরের আইটডোরে। ওই বয়সেও তিনি কী সুন্দর ছিলেন! শুটিং শেষ হলে রোজ তার ঘরে যেতাম, পুরোনো দিনের গল্প শুনতাম। কলকাতায় ফেরার পর ডাবিংয়ে আবার দেখা হলো। তরুণ মজুমদার যত যত্নে ওঁকে দিয়ে ডাবিং করাতেন, বারবার করলে মৃদু বকুনিও দিতেন, তবে ভারতী দিদা কখনও কিছু বলেননি। বাধ্য ছাত্রীর মতো চুপ থাকতেন।’

এরপর দুজনের মধ্যে সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে। একদিন ভাস্বর ও অভিনেত্রী সৌমিলিকে বাড়িতে নিমন্ত্রণ করেছিলেন ভারতী দেবী। ‘খাওয়াদাওয়ার সঙ্গে চলল শুটিংয়ের গল্প, ছবি দেখানো। জীবনভর যত কাজ করেছিলেন সব সিনেমার স্টিল ছবি ওঁর কাছে ছিল। ‘সাগর সঙ্গমে’ ছবির জন্য জাতীয় পুরস্কারও পেয়েছিলেন,’ ভাস্বর জানান।
কিন্তু এই সুন্দর মুহূর্তেও ভাস্বরের গলায় আক্ষেপের সুর। তিনি বলেন, ‘একটাই দুঃখ, এঁদের নিয়ে কোনও ডকুমেন্টেশন হলো না। কেউ এঁদের নাম বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা করেননি। কোনো সংগ্রহশালা নেই, কোনো অ্যাওয়ার্ডও নেই। অথচ এঁরা না থাকলে আমরা থাকতাম, এই ইন্ডাস্ট্রি তৈরি হত? সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় একবার বলেছিলেন, জানো, বাঙালি ভুলে যেতে বড় ভালোবাসে। একদম সত্যি।’
পিআর/টিএ