হাইওয়ে পুলিশের টোকেন বাণিজ্য, সেই পুলিশ কর্মকর্তা ক্লোজড
ছবি: সংগৃহীত
০৯:৫৮ পিএম | ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
দেশের একটি গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর কিশোরগঞ্জ-ভৈরব আঞ্চলিক মহাসড়কে বিশেষ টোকেনের মাধ্যমে মাসোহার আদায়ের অভিযোগে কটিয়াদী হাইওয়ে পুলিশের পরিদর্শক মো. মারগুব তৌহিদকে প্রত্যাহার (ক্লোজড) করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে তাকে কটিয়াদী থেকে ময়মনসিংহ রিজিওনাল অফিসে সংযুক্ত করা হয়। তার স্কুলে নতুন একজন কর্মকর্তাকে পদায়নের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
হাইওয়ে পুলিশের সদর দপ্তরের ডিআইজি (প্রশাসন) ইমতিয়াজ আহমেদ মুঠোফোনে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, প্রাথমিকভাবে অভিযুক্ত কর্মকর্তাকে ক্লোজড করা হয়েছে।
অভিযোগের বিষয়টি তদন্তে একজন অতিরিক্ত ডিআইজিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এবং ৩ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এর আগে কিশোরগঞ্জ-ভৈরব আঞ্চলিক মহাসড়কে বিশেষ প্রতীকযুক্ত টোকেনের মাধ্যমে হাইওয়ে পুলিশের মাসিক চাঁদা বাণিজোর অভিযোগ নিয়ে দেশের একটি গণমাধ্যমে -এ একটি প্রতিবেদন প্রচারিত হয়।সেখানে চালকরা অভিযোগ করেন, মাছ, দুই পাখি বা বটগাছের প্রতীকযুক্ত টোকেন সংগ্রহ করলে মাসজুড়ে আর কোনো ঝামেলা পোহাতে হয় না। তবে মাসিক চুক্তিতে রাজি না হলে কাগজপত্র ঠিক থাকলেও মামলা ও হয়রানির শিকার হতে হয়।
অভিযোগ রয়েছে, কটিয়াদী হাইওয়ে থানার পরিদর্শকের ভাগিনা পুলিশের পোশাক পরে সড়কে দায়িত্ব পালন করছেন এবং টোকেন বাণিজ্যের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।
প্রতিবেদন প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। স্থানীয় পরিবহনচালক, সচেতন নাগরিক ও বিভিন্ন সংগঠনের নেতারা দ্রুত তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
উল্লেখ্য, কিশোরগঞ্জ-ভৈরব আঞ্চলিক মহাসড়কটি ঢাকা, কিশোরগঞ্জ ও ময়মনসিংহগামী যানবাহনের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক। প্রতিদিন হাজারো সিএনজি, পিকআপ ও দূরপাল্লার যানবাহন এ সড়ক দিয়ে চলাচল করে।
এসএস/টিএ