© bangladeshtimes.com সকল অধিকার সংরক্ষিত ২০২১-২০২২।

টানা দশম বছরের মতো জাপানে জন্মহার হ্রাস

শেয়ার করুন:
টানা দশম বছরের মতো জাপানে জন্মহার হ্রাস

ছবি: সংগৃহীত

মোজো ডেস্ক
০৬:৩২ এএম | ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
জাপানে ২০২৫ সালে টানা দশম বছরের মতো জন্মসংখ্যা কমেছে বলে সরকারি প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে। এতে প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি-এর সামনে বিদ্যমান জনসংখ্যাগত ও অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

টোকিও থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী ২০২৫ সালে দেশটিতে মোট ৭ লাখ ৫ হাজার ৮০৯ জন শিশুর জন্ম হয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় ২ দশমিক ১ শতাংশ কম।

এই পরিসংখ্যানে জাপানি নাগরিকদের সন্তান, জাপানে বসবাসরত বিদেশিদের সন্তান এবং বিদেশে জন্ম নেওয়া জাপানি নাগরিকদের সন্তানদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ জাপান-এ জন্মহার বিশ্বের অন্যতম সর্বনিম্ন। ক্রমাগত জনসংখ্যা হ্রাসের ফলে দেশটি ইতোমধ্যে শ্রমশক্তির ঘাটতি, সামাজিক নিরাপত্তা ব্যয় বৃদ্ধি এবং করদাতা কর্মজীবী মানুষের সংখ্যা কমে যাওয়ার মতো সমস্যার মুখে পড়েছে।

এর প্রভাব দেশের বিপুল সরকারি ঋণের ওপরও পড়ছে। প্রধান অর্থনীতিগুলোর মধ্যে জাপানের ঋণ-জিডিপি অনুপাত ইতোমধ্যেই সর্বোচ্চ অবস্থানে রয়েছে। সানায়ে তাকাইচিসহ ধারাবাহিক জাপানি নেতারা জন্মহার বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবে অগ্রগতি সীমিত। গত সপ্তাহে পার্লামেন্টে দেওয়া বক্তব্যে তাকাইচি বলেন, হ্রাসমান জন্মহার ও সঙ্কুচিত জনসংখ্যা একটি নীরব জাতীয় জরুরি অবস্থা, যা ধীরে ধীরে দেশের প্রাণশক্তিকে ক্ষয় করছে।

তাকাইচির নেতৃত্বাধীন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি) ৮ ফেব্রুয়ারির আগাম নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে। জনসংখ্যা হ্রাস ও শ্রমবাজারের সংকট মোকাবিলায় অভিবাসন বৃদ্ধিকে সম্ভাব্য সমাধান হিসেবে দেখা হলেও ‘জাপানিজ ফার্স্ট’ নীতির পক্ষে অবস্থান নেওয়া সানসিতো পার্টি-এর চাপের মুখে তাকাইচি অভিবাসন নীতিতে আরও কঠোর অবস্থান নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

আইকে/টিকে

মন্তব্য করুন